IBM reveales the first technology capable of producing chips smaller than 1 nanometer
Photo Credit: IBM
IBM বিশ্বের প্রথম সাব-1 ন্যানোমিটার চিপ প্রযুক্তি উন্মোচন করেছে। এটি 0.7 nm (7-অ্যাংস্ট্রম) নোডে নির্মিত নতুন ট্রানজিস্টর আর্কিটেকচারের উপর ভিত্তি করে তৈরি। মার্কিন তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাটি দাবি করছে, তদের নতুন চিপ ডিজাইনে নখের আকারের সমান একটি সিলিকন চিপে প্রায় 100 বিলিয়ন (একের পরে 11টা শূন্য) ট্রানজিস্টর যুক্ত করা সম্ভব হয়ে উঠবে। এমন অত্যাধুনিক প্রযুক্তির আর্শীবাদে ভবিষ্যতে প্রসেসর আরও শক্তিশালী ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে দক্ষ হয়ে উঠবে। বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত চিপ প্রযুক্তির নোড 2 ন্যানোমিটার। সহজ ভাষায় বললে, এক মিটারের একশো কোটির এক ভাগ। নতুন প্রযুক্তি আইবিএম-এর আগে দেখানো 2nm চিপের তুলনায় 50 শতাংশ বেশি পারফরম্যান্স ও 70 শতাংশ বেশি এনার্জি এফিশিয়েন্সি অফার করবে বলে জানানো হয়েছে।
কম্পিউটার, ল্যাপটপ, গেমিং কনসোল, মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে বিভিন্ন বৈদ্যুতিন পণ্যের প্রাণকেন্দ্র হল সেমিকন্ডাক্টর। যে কোনও যন্ত্রে তথ্য সংরক্ষণের জন্য ভরসা মাইক্রোচিপ। চিপ বা মাইক্রোপ্রসেসরের আকার যত ক্ষুদ্র হয়, তত তার কার্যক্ষমতা ও শক্তি সাশ্রয়ের ক্ষমতা বাড়তে থাকে। 1 ন্যানোমিটার আকারের থেকেও ছোট চিপ ভবিষ্যতে AI, ডেটা সেন্টার, উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং (HPC), ও ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসকে আরও পাওয়ারফুল করে তুলবে।
আইবিএম-এর গবেষকরা 1 nm আকারের চেয়েও ছোট চিপ তৈরির জন্য ন্যানোস্ট্যাক (Naostack) নামে এক নতুন আর্কিটেকচার ব্যবহার করেছে। সংস্থার দাবি, এটি বিশ্বের প্রথম ন্যানোশিট ভিত্তিক ট্রানজিস্টর ডিজাইন। এতে ট্রানজিস্টরগুলোকে উল্লম্বভাবে স্তরে স্তরে সাজানো হয়েছে।
Photo Credit: IBM
চিপের আকার যত ছোট হয়, ট্রানজিস্টরগুলোর মাঝের দুরুত্ব কমে গিয়ে ইলেকট্রনের দ্রুত চলাচলের পথ প্রশস্ত হয়ে যায়। ফলে প্রসেসর দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে পারে। মাইক্রোচিপের মধ্যে অনেক বেশি ট্রানজিস্টর বসানো গেলে জটিল এবং আধুনিক কাজ সহজেই সম্পন্ন করা সম্ভব।
একটি চিপে ট্রানজিস্টরের সংখ্যা মোটামুটি প্রতি দুই বছর অন্তর বৃদ্ধি পায়। এই প্রবণতা মুরের সূত্র নামে পরিচিত। তবে বর্তমানে একটি মাইক্রোচিপে কয়েকশো কোটি ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে একই গতিতে ট্রানজিস্টরের ঘনত্ব বাড়ানো ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই এই প্রবৃদ্ধি অনির্দিষ্টকাল ধরে বজায় রাখা সম্ভব কিনা, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা সন্দীহান।
তবে সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাহায্য করতে পারে আইবিএম ন্যানোস্ট্যাক প্রযুক্তি। এটি প্রচলিত সমতল (2D) বিন্যাসের পরিবর্তে ট্রানজিস্টরকে ত্রিমাত্রিকভাবে (3D) স্তরে স্তরে বসানো সম্ভব করেছে। সংস্থা অবশ্য বলেছে, সাব-1 ন্যানোমিটার চিপ প্রযুক্তি এখনও গবেষণামূলক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু বা ডিভাইসে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করতে আরও কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।
প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.