আগামী দিনে বাজেট ফোন কিনতে 30 শতাংশ বেশি খরচ হতে পারে।
Photo Credit: Pexels/Ashutosh Jaiswal
Prices of low-end smartphones may rise by around 30 per cent
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের খিদে মেটাতে গিয়ে বিশ্বজুড়ে মেমরি চিপের যোগান সংকট তৈরি হয়েছে। কৃত্রিম মেধার উর্দ্ধমুখী ব্যবহার এআই ডেটা সেন্টারের উপর চাপ বিপুল বাড়িয়েছে। বিপুল পরিমাণ র্যাম চলে যাচ্ছে সার্ভারে। এর ফলে ভুক্তভোগী হচ্ছে কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স শিল্প। চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে মেমরি চিপের দাম। নতুন রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে কম দামের বা বাজেট ফোন কিনতে 30 শতাংশ বেশি খরচ হতে পারে। গ্রাহকদের উপর প্রভাব তো পড়বেই। একইসাথে, ক্ষতিগ্রস্ত হবেন স্মার্টফোন ব্যবসায়ীরা। স্বাভাবিকভাবেই ফোনের দাম বেড়ে গেলে নতুন মডেল কেনার প্রবণতা কমবে।
কৃত্রিম মেধা চালাতে মেমরি চিপের চাহিদা এবং দাম বাড়ছে। সেই কারণে স্মার্টফোন তৈরির খরচ আরও বাড়বে। বাজেট ফোনের দাম 30 শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক আর্থিক পরিষেবা সংস্থা Jefferis। রিপোর্টে বলা হয়েছে, AI সংক্রান্ত পরিকাঠামো বাড়তে থাকায় মেমরি চিপের সরবরাহের একটা বড় অংশ ওই প্রযুক্তির কাজে ব্যবহার হচ্ছে।
অনুমান করা হচ্ছে যে, 2027 সালে বিশ্বজুড়ে মেমরি চিপের মোট চাহিদার 60 শতাংশ আসবে এআই থেকে। সামনের বছর সংস্থাগুলি এআই প্রযুক্তির পরিকাঠামো উন্নত করতে প্রায় 1.5 ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে। 2027 সালের মাঝামাঝি সময়ে মেমরি চিপের দাম সর্বোচ্চ সীমায় উঠতে পারে৷।
জানা গিয়েছে, 2025 সালে প্রতি ইউনিট মেমরি চিপের আনুমানিক খরচ ছিল 20 মার্কিন ডলার। আর এখন সেটা প্রায় 60-65 ডলার হয়েছে। মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে 200 ডলারের কম দামের Android স্মার্টফোনের বাজার। কারণ এই সেগমেন্টে ফোন তৈরির মোট খরচের প্রায় 60 শতাংশ মেমরি চিপের পিছনে চলে যাচ্ছে।
বাড়তি খরচের বোঝা গ্রাহকদের উপর চাপানো হলেও, একাধিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। দিন দিন প্রযুক্তিগত সুযোগ সুবিধা কমাচ্ছে বিভিন্ন সংস্থা। 20 হাজারের কম দামে AMOLED ডিসপ্লে, পাওয়ারফুল প্রসেসর বা উন্নত ক্যামেরা একপ্রকার উঠেই গিয়েছে। এখন আরও মূল্যবৃদ্ধি হলে পরিস্থিতি কোন জায়গায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা সহজেই অনুমান করা যাচ্ছে।
Jefferis মনে করছে, বিশ্বজুড়ে মোট স্মার্টফোন বিক্রির মধ্যে বাজেট ফোনের অংশ 2025 সালের 42 শতাংশ থেকে কমে 2026 সালে 24 শতাংশে নেমে আসতে পারে। অন্য দিকে, 600 ডলারের বেশি দামের প্রিমিয়াম ফোনের মার্কেট শেয়ার 29 শতাংশ বেড়ে চলতি বছর 38 শতাংশে পৌঁছে যেতে পারে। সাশ্রয়ী ফোনের বিকল্প কমায় বাধ্য হয়ে বেশি দিমের ফোন কিনতে বাধ্য হচ্ছে মানুষজন।
স্মার্টফোনের দাম বাড়লে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী, ডিস্ট্রিবিউটর, এবং খুচরো বিক্রেতারা বড় সমস্যায় পড়বেন। গ্রাহকরা নতুন ফোন কেনার প্ল্যান পিছিয়ে দিলে দোকানে বিক্রি কমবে ও মজুত থাকা স্টক খালি করতেও বেশি সময় লাগবে। তাই মেমরি চিপের লাগাতার মূল্যবৃদ্ধিতে অশনি সংকেত দেখছে স্মার্টফোন ইন্ডাস্ট্রি।
প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Apple Watch Series 12
Starts from ₹56,900
Samsung Galaxy Watch Ultra 2
Starts from ₹58,949
Samsung Galaxy Watch 9 (44mm, LTE)
Starts from ₹41,999
Samsung Galaxy Watch 9 (40mm, LTE)
Starts from ₹38,999
Samsung Galaxy Watch 9 (40mm)
Starts from ₹36,999
Samsung Galaxy Watch 9 (44mm)
Starts from ₹40,999
Google Gemini Omni 1.2 Flash Launched With Support for Clips Up to 15 Seconds Long