Privacy-Focused Browsers are designed to limit tracking
Photo Credit: Unsplash/Zulfugar Karimov
অনলাইনে প্রাইভেসি বজায় রাখাই ডিজিটাল যুগে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিদিনই কাজের প্রয়োজনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট খুলি আমরা। সেগুলি কুকিস এবং ব্রাউজার ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহার করে আমাদের অনলাইন অ্যাক্টিভিটি অনুসরণ করে। ব্রাউজারের গোপনীয়তা সংক্রান্ত সেটিংস পাল্টে ফেললেও অনলাইন ট্র্যাকিং থেকে নিজেকে বাঁচানো সম্ভব নয়। তবে Google Chrome বা Microsoft Edge-এর পরিবর্তে বেশ কিছু প্রাইভেসি কেন্দ্রিক ব্রাউজার ব্যবহার করলে নিজের অনলাইন গতিবিধির উপর নজরদারি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে। কিছু ব্রাউজার ডিফল্টভাবে ট্র্যাকার এবং অ্যাড ব্লক করে। ফলে আপনার অনলাইন গতিবিধি সহজে প্রকাশ পায় না। এই প্রতিবেদনে পাঁচটি সেরা প্রাইভেট ব্রাউজারের লিস্ট রইল, যেগুলি ব্যবহারকারীদের উপর ট্র্যাকিং সীমিত করে ও পার্সোনাল ডেটার উপর আরও বেশি কন্ট্রোল দেয়।
ব্রেভ ব্রাউজারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল শিল্ড প্রাইভেসি সিস্টেম। এটি ডিফল্টভাবে অনেক থার্ড পার্টি অ্যাড, ট্র্যাকার, ও ক্রস-সাইট কুকিস ব্লক করে। এটি ব্রাউজার ফিঙ্গারপ্রিন্টের বিরুদ্ধেও সুরক্ষা দেয়। ব্রেভে ব্রাউজারের অধিকাংশ প্রাইভেসি ফিচার ডিভাইসে ইনস্টল করার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যায়।
মোজিলা ফায়ারফক্সে ডিফল্টভাবে উন্নত ট্র্যাকিং প্রোটেকশন চালু থাকে। এটি বিভিন্ন ধরনের ট্র্যাকার ও স্ক্রিপ্ট ব্লক করে, যেগুলি এক ওয়েবসাইট থেকে অন্য ওয়েবসাইটে যাওয়ার সময় অনলাইন অ্যাক্টিভিটি অনুসরণ করতে সক্ষম। এতে প্রাইভেসি প্রোটেকশনের জন্য স্ট্যান্ডার্ড, স্ট্রিক্ট, ও কাস্টম মোড আছে। এছাড়াও, ব্রাউজারটি সোশ্যাল মিডিয়া ট্র্যাকার, ক্রিপ্টোমাইনিং স্ক্রিপ্ট, ও পরিচিত ব্রাউজার ফিঙ্গারপ্রিন্ট টেকনিকের বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রদান করে।
ডাকডাগগো ব্রাউজারে থার্ড পার্টি ট্র্যাকারের বিরুদ্ধে বিল্ট-ইন প্রোটেকশন আছে। এতে টার্গেটেড বিজ্ঞাপন কমাতে একাধিক প্রাইভেসি টুলস দেওয়া হয়েছে। এই ব্রাউজারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল ডাক প্লেয়ার। এর মাধ্যমে টার্গেটেড অ্যাডভার্টাইজিং ছাড়াই ইউটিউবে ভিডিও দেখা যায়। এটি একটি ফায়ার বাটন অফার করে, যা চাপলে সব ওপেন ট্যাব বন্ধ হয় ও ব্রাউজিং হিস্ট্রি মুছে যায়।
ভিভাল্ডি ব্রাউজারেও বিল্ট-ইন ট্র্যাকার ও অ্যাড ব্লকার ফিচার আছে। এগুলি প্রয়োজন অনুসারে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের জন্য আলাদাভাবে কনফিগার করা যায়। এই ব্রাউজারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফিচার হল ব্লক হাইপারলিঙ্ক অডিট ট্র্যাকিং। এটি চালু করলে কিছু নির্দিষ্ট লিঙ্কে ক্লিক করার সময় ওয়েবসাইটকে সেই লিঙ্ক সম্পর্কে তথ্য পাঠানো বন্ধ করা যায়।
ট্র্যাকিং, সার্ভিলেন্স, এবং সেন্সরশিপ থেকে রক্ষার জন্য টর ব্রাউজার অত্যন্ত জনপ্রিয়। এটি ব্রাউজিং ট্র্যাফিক একাধিক ধাপে এনক্রিপটেড রুটের মাধ্যমে পাঠায়। ফলে ব্যবহারকারীকে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে পরিচয় গোপন থাকলেও একটা বড় অসুবিধা আছে। একাধিক নোডের মাধ্যমে ট্র্যাফিক ঘুরে যাওয়ার কারণে ব্রাউজিং স্পিড কমে যেতে পারে ও কিছু ওয়েবসাইট ঠিকভাবে নাও কাজ করতে পারে।
প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.