GeForce RTX 50 সিরিজের জিপিইউ-চালিত ল্যাপটপে আপগ্রেড করার জন্য উৎসবের মরসুমের চেয়ে ভাল সময় আর হতে পারে না।
Photo Credit: Nvidia
মাল্টি ফ্রেম জেনারেশনের সঙ্গে DLSS 4 আসার পর গেম খেলার অভিজ্ঞতাই যেন সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। আপনার কাছে আগে থেকেই যে হার্ডওয়্যার ছিল, সেটা ব্যবহার করেই এখন গেমে আরও বেশি ফ্রেম পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। ফলে অতিরিক্ত এক টাকাও খরচ না করে গেম খেলার অভিজ্ঞতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে। এখন GeForce RTX 50 সিরিজের জিপিইউযুক্ত ল্যাপটপগুলো সেই অভিজ্ঞতাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এতে একাধিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানো হয়েছে, যা শুধু গেম খেলার এক্সপিরিয়েন্স উন্নত করে না। পাশাপাশি, ক্রিয়েটিভ কাজকর্ম এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ভিত্তিক ওয়ার্কফ্লো আরও দ্রুতগতিতে সম্পন্ন করার জন্য প্রস্তুত।
RTX 50 সিরিজের গ্রাফিক্স-চালিত ল্যাপটপে হার্ডওয়্যার দ্বারা রেন্ডার করা একটি ফ্রেমের জন্য তিনটি করে ফ্রেম জেনারেট করতো DLSS 4। অন্য দিকে, RTX 40 সিরিজে শুধুমাত্র একটি অতিরিক্ত ফ্রেম তৈরি হত। DLSS 4.5-এর ক্ষেত্রে নতুন মাল্টি-ফ্রেম জেনারেশন আপগ্রেডের মাধ্যমে পাঁচটি ফ্রেম তৈরি করা হচ্ছে। এখন RTX 50 সিরিজের জিপিইউযুক্ত ল্যাপটপে সর্বোচ্চ 6X মাল্টিপ্লায়ার পাওয়া সম্ভব।
এই পরিবর্তন ব্যবহারিক অভিজ্ঞতায় কী প্রভাব ফেলবে ভাবছেন? আপগ্রেডটি 1440 পিক্সেল রেজোলিউশনে গেম খেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা ও সম্পূর্ণ 4K অভিজ্ঞতা উপভোগ করার মধ্যে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। 4X থেকে 6X মাল্টি ফ্রেম জেনারেশনে যাওয়ার ফলে পাথ-ট্রেসিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা গেমগুলোতে 4K রেজোলিউশনে ফ্রেম রেট সর্বোচ্চ 35 শতাংশ বাড়তে পারে।
ইউজাররা যেমন বাস্তবসম্মত দৃশ্য উপভোগ করতে পারবে, তেমনই স্মুথ ও খেলার উপযোগী ফ্রেম রেট বজায় রাখতে পারবে। Nvidia Reflex-এর সঙ্গে ব্যবহার করলে, অতিরিক্ত ফ্রেমগুলো গেমের রেসপন্সিভনেস বা প্রতিক্রিয়াশীলতার উপর নূন্যতম প্রভাব ফেলেই পাওয়া যাবে।
বেশি ফ্রেম পাওয়া যে একটি বড় আপগ্রেড, তা নিশ্চয় একদম জলের মতো স্পষ্ট। তবে কখনও কখনও কোনও মাল্টিপ্লায়ার আপনার স্ক্রিনের সমর্থনক্ষমতার চেয়েও বেশি ফ্রেম তৈরি করতে পারে। আবার কম মাল্টিপ্লায়ারে চলে গেলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যে ফ্রেম ড্রপ হতে পারে।এখানেই ডাইনামিক মাল্টি ফ্রেম জেনারেশনের ম্যাজিক। এটি অনেকটা অটোমেটিক ট্রান্সমিশন সিস্টেমের মতো কাজ করে।
আপনি নিজের ইচ্ছামতো ফ্রেম রেট সেট করে দেবেন, যা আপনার ডিসপ্লে যতটা ফ্রেম দেখাতে পারে, তার যেন সমান হয়। সেটি 120 হার্টজ, 144 হার্টজ, 240 হার্টজ বা তার বেশি হতে পারে। কোনও দৃশ্যের লোড বেড়ে গেলে এবং রেন্ডার করা ফ্রেমগুলি আসতে শুরু করলে, এটি আরও হাই মাল্টিপ্লায়ারে চলে যায় ও আউটপুট স্থির রাখে। যখন কাজের চাপ কমে যায়, তখন এটি কম মাল্টিপ্লায়ারে ফিরে আসে। এই পদ্ধতিতে কোনও ফ্রেম নষ্ট হয় না ও গ্রাফিক্সের রিসোর্সের অপচয় বন্ধ হয়।
মাল্টি ফ্রেম জেনারেশন ফ্রেমের সংখ্যা বা পরিমাণের দিক সামলায়। অন্য দিকে, ফ্রেমের কোয়ালিটি বা গুণমান বা কোয়ালিটি সম্পূর্ণরূপে ডিপ লার্নিং সুপার স্যাম্পলিং বা ডিএলএসএস (DLSS)-এর উপর নির্ভরশীল। গোড়ার দিকে কনভোলিউশনাল নিউরাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করলেও, বছরের পর বছর ধরে DLSS প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটেছে। লেটেস্ট ভার্সন DLSS 4.5-এ কনভোলিউশনাল নিউরাল নেটওয়ার্কের বদলে ট্রান্সফর্মার মডেল ব্যবহার করা হয়েছে।
নতুন ট্রান্সফর্মার মডেলটি মূল মডেলের তুলনায় পাঁচ গুণ বেশি কম্পিউটিং ক্ষমতা ব্যবহার করে। এটি অনেক বড় ডেটাসেটের উপর প্রশিক্ষিত। তাই এখন কোয়ালিটি মোডের ছবি নেটিভ রেজোলিউশনের ছবির সঙ্গে তুলনীয় হয়ে উঠেছে।
আবার পারফরম্যান্স মোড হাই গ্রাফিক্স সেটিংসে 4K রেজোলিউশনে গেম খেলার জন্য কার্যকর বিকল্প হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুতগতিতে চলমান বস্তুর ক্ষেত্রে ঘোস্টিং, ছবির প্রান্তে খাঁজ দেখা দেওয়া, ও শিমারিংয়ের মতো সমস্যা কমে গিয়েছে। Control Resonant 007, First Flight, ও Black Myth: Wukong-সহ একাধিক গেমে আপগ্রেডটি স্পষ্টভাবে বোঝা যাবে।
প্রচলিত পদ্ধতিতে কোনও গেমের দৃশ্যে আলো ফেলার জন্য নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হত। কিন্তু সেই আলো ক্যামেরা বা পরিবেশের সঙ্গে রিয়েল-টাইমে খাপ খাওয়াতে পারতো না। পাথ ট্রেসিংয়ের আগমনে সেই সমস্যা দূর হয়েছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনও দৃশ্যকে প্রায় ফটোরিয়ালিস্টিক গুণমানে রেন্ডার করা সম্ভব হয়ে উঠেছে। এটি রিয়েল-টাইমে হিসাব করে, কীভাবে আলো কোনও দৃশ্যের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে যায় এবং বিভিন্ন পৃষ্ঠে প্রতিফলিত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
অ্যানিমেশন স্টুডিওতে উচ্চমানের দৃশ্য রেন্ডার করার সময় একই প্রযুক্তি ব্যবহার হয়, যে প্রক্রিয়ায় কয়েক ঘন্টা সময় লাগে। তবে DLSS 4.5, ফ্রেম জেনারেশন, ও বিপুল পরিমাণ গণণার কাজ সামলানোর জন্য তৈরি RT কোরের সমন্বয়ে এই অসাধারণ কাজ করতে সক্ষম GeForce RTX 50 সিরিজের জিপিইউ। ফলে গেমিং অভিজ্ঞতা আলাদা স্তরে পৌঁছে যায়।
GeForce RTX 50 সিরিজের গ্রাফিক্সযুক্ত ল্যাপটপের বহুমুখী ব্যবহারের অন্যতম দিক হল, DLSS চালানোর জন্য ব্যবহৃত Tensor কোরগুলি কোনও সমস্যা ছাড়াই কৃত্রিম মেধা-ভিত্তিক টাস্কও করতে পারে। তা সেটা লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল চালানো হোক বা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে থাকা AI টুল ব্যবহার। গেম রেন্ডারিংয়ে ব্যবহৃত একই GPU একজন ক্রিয়েটর ও ইঞ্জিনিয়ারের কাজের সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার হতে পারে।
ভিডিও এডিটরদের ক্ষেত্রে AI ফিচার্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিওর ট্রান্সক্রিপশন তৈরি করতে ও সাবটাইটেল জেনারেশনে সাহায্য করবে। ফটো এডিটিংয়ে ছবির মধ্যে কোনও বস্তু বা চরিত্র যোগ করা বা সেগুলি এক ক্লিকে সরিয়ে ফেলা সম্ভব হবে। AI অ্যাক্সিলারেশনের সাহায্যে জটিল কাজ এখন কয়েক মিনিটের মধ্যেই সম্পন্ন করা সম্ভব। আর এই সুবিধার জন্য সমস্ত ক্রেডিট RTX 50 সিরিজের জিপিইউ-এরই প্রাপ্য৷ কারণ আপনি একটি ডিভাইসেই সমস্ত কাজ করতে পারবেন।
বর্তমান যুগে একজন গেমার পেশাদার ক্রিয়েটর বা AI ডেভেলপারও হতে পারেন। গেমিং ল্যাপটপ এখন যে কোনও লক্ষ্য পূরণে সক্ষম। GeForce RTX 50 সিরিজের জিপিইউ-চালিত ল্যাপটপে আপগ্রেড করার জন্য উৎসবের মরসুমের চেয়ে ভাল সময় আর হতে পারে না। Amazon ও Flipkart সেলে আকর্ষণীয় অফারে ল্যাপটপ কিনে নিন।
প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.
Apple Watch Series 12
Starts from ₹56,900
Samsung Galaxy Watch Ultra 2
Starts from ₹62,479
Samsung Galaxy Watch 9 (44mm, LTE)
Starts from ₹41,999
Samsung Galaxy Watch 9 (40mm, LTE)
Starts from ₹38,999
Samsung Galaxy Watch 9 (40mm)
Starts from ₹36,999
Samsung Galaxy Watch 9 (44mm)
Starts from ₹40,999
iQOO Neo 12, iQOO Pad Pro With Snapdragon 8 Elite Gen 5 SoC Spotted on Geekbench Ahead of Launch