Xiaomi ice cream comes in Standard, Pro and Max variants
Photo Credit: MyDrivers
গরমে আইসক্রিম খেতে সবাই ভালবাসে। ফ্লেভার যাই হোক না কেন এক চামচ মুখে নিলেই যেন গরমের সমস্ত অস্বস্তিভাব কমে শরীরের ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। মানসিক দিক থেকেও পরিতৃপ্তি পান অনেকে। লোভনীয় স্বাদের আইসক্রিমের প্রসঙ্গে আসলে Amul, Kwality Wall's কিংবা Mother Dairy-এর মতো সংস্থাদের নাম প্রথম সারিতে থাকবে। শুনলে অবাক হবেন, এবার Xiaomi নিজস্ব আইসক্রিম প্রোডাক্ট লঞ্চ করে রীতিমতো চমকে দিয়েছে। এপ্রিল ফুল নয় কিন্তু, চাইনিজ ব্র্যান্ডটি সত্যিই ক্রেতাদের জন্য বড় চমক নিয়ে হাজির হয়েছে। কত দাম শাওমির আইসক্রিমের?
শাওমি তাদের স্মার্টফোন ও অন্যান্য ডিভাইসের মতো নিজস্ব স্টাইলে তিনভাবে আইসক্রিম পরিবেশন করছে। তারা আইসক্রিমের স্ট্যান্ডার্ড ভার্সনের দাম 5.99 ইউয়ান রেখেছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় 82 টাকার সমান। এরপর রয়েছে Pro ভ্যারিয়েন্ট, যার দাম 6.99 ইউয়ান (প্রায় 96 টাকা) রেখেছে কোম্পানি। এটি চামচের মতো দেখতে একটি বিস্কুট বা কুকিজের সাথে পাওয়া যাবে।
শাওমির ম্যাক্স ভার্সনের আইসক্রিমে তিনটি কুকিস দেওয়া হচ্ছে। এটি 8.99 ইউয়ান মূল্যে বিক্রি হচ্ছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় 123 টাকা। শাওমির নিজস্ব ক্যাফেটেরিয়ার শেফ বিং জিয়াবো এই আইসক্রিম তৈরি করেছেন৷ রেসিপি মিলেট থেকে অনুপ্রাণিত, যা শাওমির ব্র্যান্ডিংয়ের সঙ্গেও জড়িয়ে আছে।
কোম্পানি জানিয়েছে, প্রথমে মিলেট ভাপিয়ে সেটিকে পেস্টে পরিণত করা হয়েছে। তারপর দুধের সঙ্গে মিশিয়ে আইসক্রিম বানানো হয়েছে। উপরে মিলেট শষ্যের দানা দেওয়া। অর্থাৎ স্বাদের পাশাপাশি স্বাস্থ্যের দিকগুলিও নজরে রেখেছে তারা। আর এমনতিই মিলেটের পুষ্টিগুণ বেশি এবং ডায়েট সচেতন মানুষদের কাছে পছন্দের খাদ্য হয়ে উঠছে।
শাওমি দাবি করছে, আইসক্রিমের তিনটি আলাদা স্বাদ নিয়ে কাজ করেছে তারা। তারপর মিলেট ফ্লেভার বেছে নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি এই মুহূর্তে তাদের অফিসের ক্যাফেটেরিয়াতে আইসক্রিমটি বিক্রি করছে। কর্মীরাও স্বাদের প্রশংসা করছেন। প্রসঙ্গত, আউটসোর্সিং বাদ দিয়ে 2015 সাল থেকেই নিজস্বভাবে ক্যাফেটেরিয়া পরিচালনা করছে শাওমি। সেখানে কাজ করা কর্মী এবং শেফরা শাওমির কর্মীদের মতোই সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকেন।
উল্লেখ্য, শাওমির ক্যান্টিনের খাবার নিয়ে আগেও সোশ্যাল মিডিয়াতে আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছিল। অনেক নেটিজেন প্রস্তাব দিয়েছিলেন, তাদের জনপ্রিয় ফ্রায়েড ডো (তেলে ভাজা ময়দার খাবার) অনলাইন স্টোরে বিক্রি করা হয়। শাওমির সিইও লেই জুন তখন পোস্ট করে বলেছিলেন, বিষয়টি নিয়ে ভাবা যেতে পারে। কিন্তু শাওমির কাছে বাইরে খাবার বিক্রির লাইসেন্স থাকায় সেই পরিকল্পনা আর বাস্তবায়িত হয়নি। আইসক্রিমও ক্যাফেটেরিয়ার বাইরে পাওয়া যাবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।
প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.