More RAM can improve multitasking in a smartphone
Photo Credit: Unsplash/Jonas Lee
র্যাম (RAM) স্মার্টফোনের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ। এটি অপারেটিং সিস্টেম এবং চালু থাকা অ্যাপগুলির ডেটা সাময়িকভাবে ধরে রাখে। ফলে ফোন কতটা দ্রুত বিভিন্ন কাজ পরিচালনা করতে পারবে, তা র্যামের পরিমাণের উপর নির্ভর করছে। ডিভাইসে পর্যাপ্ত র্যাম থাকলে একসঙ্গে আরও বেশি অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে অ্যাক্টিভ থাকতে পারে। ফলে একটি অ্যাপ থেকে অন্য অ্যাপে ঢোকার সময় নতুন করে রিলোড করার প্রয়োজন কমে যায়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, একটি স্মার্টফোনে আসলে কতটা র্যাম প্রয়োজন। অনেকেই বুঝতে পারেন না যে র্যামের পরিমাণ মূলত আপনি ফোনে কী ধরনের কাজ করতে চান, তার উপর নির্ভরশীল।
পাঁচ-ছয় বছর আগে পর্যন্তও 2 জিবি বা 3 জিবি র্যাম যথেষ্ট বলে ধরা হত। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্মার্টফোন যেমন উন্নত হয়েছে, তেমনই সফটওয়্যার এবং অ্যাপের বেশি মেমোরির প্রয়োজন পড়ছে। বর্তমানে বেশিরভাগ বাজেট স্মার্টফোনে অন্তত 4 জিবি র্যাম থাকে। সাধারণ ব্যবহারের জন্য এর বেশি র্যাম লাগে না।
4 জিবি র্যাম ফোন কল, মেসেজিং, ওয়েব ব্রাউজিং, ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট। এর মাধ্যমে দৈনন্দিন কাজ স্বাচ্ছন্দ্যে করা সম্ভব হবে। আবার র্যাম যখনই 6 জিবি হবে, তখন একসঙ্গে একাধিক অ্যাপ চালানো বা মাল্টিটাস্কিং মসৃণভাবে করা যাবে। এই সুবিধা 4 জিবি র্যামের ফোনে পাওয়া যাবে না।
এখন বেশিরভাগ মিড-রেঞ্জ ডিভাইসের বেস মডেলে 8 জিবি র্যাম থাকে। এতে ল্যাগ ছাড়াই সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রলিং, ভিডিও স্ট্রিমিং, এবং গেমিং করা যায়। আবার ফোনে 12 জিবি র্যাম থাকলে অ্যাপ, গেমিং, এডিটিং, এবং মাল্টিটাস্কিং আরও মসৃণভাবে করা যাবে।
বর্তমানে প্রিমিয়াম বা গেমিং স্মার্টফোনে 16 জিবি র্যাম পাওয়া যাচ্ছে। হাই-গ্রাফিক্সে গেম খেলা, উচ্চমানের এডিটিং, ও এআই ফিচার ব্যবহারের জন্য বেশি র্যাম থাকা জরুরি। যারা ফোনে বেসিক কাজ করেন এবং টুকটাক লাইট গেম খেলেন, তাদের জন্য 4 জিবি ও 6 জিবি র্যাম যথেষ্ট। বেশিরভাগ ক্রেতাদের জন্য 8 জিবি থেকে 12 জিবি র্যাম দাম এবং পারফরম্যান্সের ভাল ভারসাম্য তৈরি করে।
অন্য দিকে, যে সব গ্রাহক বেশি গেমিং, মাল্টিটাস্কিং, ও রিসোর্স-হেভি কাজে ফোন ব্যবহার করেন, তারা 16 জিবি অপশন বেছে নিতে পারেন। তবে মনে রাখবেন, শুধু বেশি র্যাম থাকলেই স্মার্টফোনের গতি বাড়বে না। প্রসেসর, সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশন, এবং কুলিং সিস্টেম সামগ্রিক পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বেশি র্যামের মুখ্য সুবিধা হল, ফোনে আরও বেশি অ্যাপ এবং প্রসেসিং ব্যাকগ্রাউন্ড মেমোরিতে ধরে রাখা যায়। রিলোড করতে গিয়ে ফোন স্লো হয়ে যায় না। এই কারণে গেমার, হেভি ইউজার বা কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য বেশি র্যামের ফোন প্রয়োজন।
প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.