many people think having Bluetooth on can hack a phone
Photo Credit: Unsplash/Zarak Khan
বর্তমানে সমস্ত স্মার্টফোনে ব্লুটুথ (Bluetooth) রয়েছে। ফিচারটি ছাড়া ওয়্যারলেস হেডফোন, স্মার্টওয়াচ, ও অন্যান্য গ্যাজেটের সঙ্গে মোবাইল ফোন যুক্ত করা অসম্ভব। বাস-ট্রেনে ইয়ারবাডে গান শোনার সময় বা অন্য ডিভাইসের সঙ্গে কানেকশনের জন্য ব্লুটুথ অন করে রাখতে হয়। অনেকেই মনে করেন, ব্লুটুথ চালু থাকলে মোবাইল ফোন হ্যাক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। কিন্তু সত্যিই কি তাই? ব্লুটুথকে কাজে লাগিয়ে আধুনিক স্মার্টফোনে আড়ি পাতা বা হ্যাকিং কি সম্ভব? শুধুমাত্র ব্লুটুথ অন থাকলে ফোন হ্যাক হয়ে যাবে এমনটা নয়। কিন্তু ব্লুটথ ব্যবহারের সময় অসতর্ক থাকলে অঘটন ঘটতে পারে।
শুধু ব্লুটুথ অন করে রাখলেই সাধারণত স্মার্টফোন হ্যাক হতে পারে না। ব্লুটুথ আদতে এক ধরনের ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন টেকনোলজি, যা রেডিও সিগন্যালকে কাজে লাগিয়ে কাছাকাছি থাকা ডিভাইসের সঙ্গে ফোন সংযুক্ত করে দেয়। তবে এর অর্থ এই নয় যে ব্লুটুথ সম্পূর্ণ নিরাপদ।
সাইবার অপরাধীরা পুরনো সফটওয়্যার বা ব্লুটুথের নিরাপত্তায় নির্দিষ্ট ফাঁকফোঁকর খুঁজে কোনও ডিভাইসকে টার্গেট করতে সক্ষম। ফোনের সফটওয়্যার আপডেট না থাকলে বা দীর্ঘদিন সিকিউরিটি প্যাচ না পেলে ব্লুটুথের মাধ্যমে সাইবার আক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহারকারী অপরিচিত ডিভাইসের কানেকশন রিকোয়েস্ট গ্রহণ করলে ঝুঁকি বেড়ে যায়। ব্লুটুথের পুরনো ভার্সনের নিরাপত্তাগত দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে স্মার্টফোন নিজের নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করতে পারে হ্যাকাররা। তাই জনবহুল স্থানে অচেনা ডিভাইসের সঙ্গে পেয়ার না করা ও ফোন নিয়মিত আপডেট রাখা ঝুঁকি কমায়।
মনে রাখবেন, ফোনে ব্লুটুথ অন করে রাখা এবং কোনও ডিভাইসের সঙ্গে কানেক্ট হওয়া, দুটি সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। স্মার্টফোনে ব্লুটুথ সক্রিয় থাকলেই আশেপাশের কেউ ফোনের অ্যাক্সেস পাবে না। আধুনিক স্মার্টফোনে একাধিক নিরাপত্তাজনিত ফিচার্স থাকে।
সাধারণত কোনও নতুন ডিভাইসের সঙ্গে কানেক্ট করার আগে ব্যবহারকারীর অনুমতির প্রয়োজন হয়। ইউজারের অনুমতি ছাড়া অপরিচিত ডিভাইস ফোনের সঙ্গে কানেক্ট হতে পারে না। তাই ব্লুটুথ নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হয়ে পড়ার কোনও কারণ নেই। অচেনা ডিভাইসের পেয়ারিং রিকোয়েস্ট গ্রহণ না করলে সুরক্ষিত থাকবেন।
প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.