Samsung has surpassed Apple to become the world's largest smartphone brand in Q2,2026
Photo Credit: Unsplash/ kuaileqie RE
বিশ্বজুড়ে স্মার্টফোন মার্কেটে ডামাডোল পরিস্থিতি৷ প্রতি মাসেই বাড়ছে বিভিন্ন সংস্থার স্মার্টফোনের দাম৷ ফলে আমজনতাকে মুঠোফোন কিনতে অতিরিক্ত খরচ করতে হচ্ছে। যার প্রভাব এখন বিক্রিতেও স্পষ্টভাবে পড়তে শুরু করেছে। 2026 সালের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে (এপ্রিল-জুন) বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোন বিক্রি 11 শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। 2013 সালের পর শিপমেন্টের অঙ্ক সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। নিম্ন চাহিদার অন্যতম কারণ RAM ও NAND ফ্ল্যাশ মেমোরি চিপের ঘাটতি, যা স্মার্টফোন-সহ সমস্ত ধরনের বৈদ্যুতিন ডিভাইসের উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে। Xiaomi, Oppo, ও Vivo-এর মতো শীর্ষস্থানীয় চীনা ব্র্যান্ডগুলির বিক্রিতে সর্বাধিক পতন লক্ষ্য করা গিয়েছে। কিন্তু এই কঠিন পরিস্থিতির মাঝেও Samsung বিশ্বের বৃহত্তম স্মার্টফোন ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেদের অবস্থান পুররুদ্ধার করেছে।
কাউন্টারপয়েন্টের রিসার্চের প্রতিবেদন অনুসারে, 2026 সালের Q2 স্মার্টফোন মার্কেটের জন্য 2013 সালের পর সবচেয়ে দুর্বল ত্রৈমাসিক। এই পরিস্থিতির জন্য র্যাম ও ফ্ল্যাশ মেমোরি চিপের ক্রমবর্ধমান ঘাটতিকে দায়ী করা হয়েছে। লাভের পরিমাণ বেশি থাকার কারণে মেমোরি চিপ নির্মাতারা তাদের উৎপাদনের একটি বড় অংশ AI ডেটা সেন্টারগুলির চাহিদা পূরণে সরিয়ে রাখছে।
স্মার্টফোন কোম্পানিদের জন্য প্রয়োজনীয় মেমোরির সরবরাহ কমে যাচ্ছে। বেশি দাম দিয়ে চিপ কিনতে বাধ্য হচ্ছে তারা। এর ফলে উৎপাদন খরচ বেড়েই চলেছে৷ এই অতিরিক্ত খরচ সামাল দিতে Apple বাদে সমস্ত ব্র্যান্ড স্মার্টফোনের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে, যা এখন বিক্রির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
10,000 টাকার নিচে 5G ফোন উধাও হয়ে গিয়েছে বলা চলে। 30,000 টাকার স্মার্টফোনে এখন আগের 15,000 টাকার দামের ফোনের প্রসেসর এবং ফিচার দেখা যাচ্ছে। তাই নতুন ফোনের চাহিদা তলানিত। এমন ডামাডোলের মাঝেও Samsung চলতি বছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে 24 শতাংশ মার্কেট শেয়ার নিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম স্মার্টফোন ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে।
অন্য দিকে, 20 শতাংশ অংশীদারির সঙ্গে দ্বিতীয় স্থানে Apple। শীর্ষস্থান হারালেও তাদের বিক্রি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় 3 শতাংশ বেড়েছে। Xiaomi, Oppo, এবং Vivo যথাক্রমে 12 শতাংশ, 11 শতাংশ, ও 8 শতাংশ মার্কেট শেয়ারের সঙ্গে তিন থেকে পাঁচের মধ্যে অবস্থান করছে। তিন সংস্থা মূলত বাজেট ও মিড-রেঞ্জ স্মার্টফোনের উপর নির্ভরশীল।
মেমোরি চিপ সরবরাহে ঘাটতির প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে ওই দুই সেগমেন্টের উপর। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই বছর সামগ্রিকভাবে স্মার্টফোন বিক্রি প্রায় 14 শতাংশ কমতে পারে। RAM এবং NAND ফ্ল্যাশ মেমোরির ঘাটতি 2027 সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।
প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.