জন টার্নারকে আইফোনের বর্তমান সাফল্য ধরে রাখার পাশাপাশি এমন পণ্য ও প্রযুক্তির দিশা দেখাতে হবে, যা ভবিষ্যতে সংস্থার চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে।
Photo Credit: Apple
Tim Cook hands over Apple to John Ternus
এপ্রিলেই ঘোষণা হয়েছিল উত্তরসূরীর নাম। 15 বছরের বেশি সময় পর অ্যাপলের (Apple) চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার বা সিইও পদ থেকে অবসর নিলেন টিম কুক (Tim Cook)। পয়লা সেপ্টেম্বর তাঁর পদে অভিষিক্ত হলেন জন টার্নাস (John Ternus)। 2021 সাল থেকে টেক জায়ান্টটির হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। আইফোন, আইপ্যাড, এবং ম্যাকবুক-সহ বিভিন্ন পণ্যের যান্ত্রিক দিক দেখাশোনার গুরুদায়িত্ব ছিল তাঁর কাঁধে। সেপ্টেম্বর 9 "সারপ্রাইজ এন্ড শাইন" ইভেন্টে আত্মপ্রকাশ করবে iPhone 18 Pro সিরিজ এবং ব্র্যান্ডের প্রথম ফোল্ডেবল ফোন। ফলে এখন টার্নাসের সামনে অগ্নিপরীক্ষা। তাঁকে যেমন আইফোনের বর্তমান সাফল্য ধরে রাখতে হবে, তেমনই এমন পণ্য ও প্রযুক্তির দিশা দেখাতে হবে, যা ভবিষ্যতে সংস্থার চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে।
জন টার্নাসের লিঙ্কডইন প্রোফাইল থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, 1993 সালে আমেরিকার পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পূর্ণ করেন তিনি। সেই বছরেই কর্মজীবন শুরু করেন ভার্চুয়াল রিসার্চ নামে একটি কোম্পানিতে। সেখানে 1993 থেকে 2001 সাল পর্যন্ত কাজ করেন। তারপর 2001 সালের জুলাইয়ে অ্যাপলে চাকরি পান। টার্নাস গত পঁচিশ বছর ধরে একাধিক ফ্ল্যাগশিপ প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্টের সঙ্গে যুক্ত আছেন।
তবে সিইও হিসেবে জন টার্নাসের যাত্রা যে একেবারে মসৃণ হবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তাঁর সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে অ্যাপলের নড়বড়ে ভিত। 2022 সালে ধুমকেতুর মতো উত্থান ঘটে চ্যাটজিপিটির (ChatGPT)। সেখান থেকেই শুরু হল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রমরমা৷ Apple-এরও প্রবেশ ঘটে জেনারেটিভ এআই দৌড়ে।
কৃত্রিম মেধার ক্ষেত্রে সংস্থার প্রথম উদ্যোগ ছিল অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স (Apple Intelligence)। কিন্তু প্রত্যাশার ধারেও পৌছতে পারেনি অ্যাপলের এআই। সংশ্লিষ্ট বিভাগের নেতৃত্বে বদল আসে। অবশেষে সিরিকে এআই চ্যাটবটের মতো গড়ে তুলতে গুগলের শরণাপণ্ণ হতে হয় অ্যাপলকে।
জুনে Apple ওয়ার্ল্ডওয়াইড ডেভেলপার্স কনফারেন্সে (WWDC 2026) নতুন Siri AI লঞ্চের ঘোষণা করে। গুগলের জেমিনাই মডেলের সাহায্যে সিরির মস্তিষ্ক খোলনলচে বদলে নবরূপে প্রকাশ হয়। টার্নাসের বড় পরীক্ষা, তিনি কীভাবে এআই ক্ষেত্রে অ্যাপলকে পথ দেখাবেন ও সিরি এবং অ্যাপল ইন্টেলিজেন্সকে ভবিষ্যতের কথা ভেবে প্রস্তুত করনবেন।
টার্নাসের হার্ডওয়্যার ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপলের জন্য প্লাস পয়েন্ট। তিনি নিজেও মনে করেন, আইফোনের এখনও দীর্ঘ ভবিষ্যৎ রয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে আইফোনের নকশায় বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে, যার পরিণতি ফোল্ডেবল আইফোন। 2027 সালে আসতে চলা আইফোন মডেলেও একটি মেজর আপগ্রেড করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
2011 সালের আগস্টে শারীরিক অসুস্থতার জন্য সিইও পদ ছেড়েছিলেন স্টিভ জোবস। আগস্টেই তাঁর জায়গায় নিযুক্ত হন টিম কুক। কুকের আমলে অ্যাপল বিশ্বের অন্যতম মূল্যবান প্রযুক্তি সংস্থায় পরিণত হয়েছে। 350 বিলিয়ন ডলার থেকে সংস্থার বাজারমূল্য 4 ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। 2011 সালে অ্যাপলের মুনাফা ছিল 108 বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত বছর সেটা 416 বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
তবে টিম কুকের আমলেও যে প্রশ্ন বারবার সামনে এসেছে, টার্নাসের সিইও হওয়ার পরেও সেই একই প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। আইফোনের পর সংস্থার কোন নতুন পণ্য গ্রোথ ইঞ্জিনে পরিণত হবে? তাই আগামী দিনে টার্নাসের নেতৃত্বে কী কী উদ্ভাবন জন্ম নেয়, সে দিকে নজর থাকবে গোটা বিশ্বের।
প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Samsung Galaxy Watch 9 (44mm, LTE)
Starts from ₹44,999
Samsung Galaxy Watch 9 (40mm, LTE)
Starts from ₹37,999
Samsung Galaxy Watch 9 (40mm)
Starts from ₹37,999
CMF Buds Neo True Wireless Stereo (TWS) Earphones
Starts from ₹1,999
Amazfit Cheetah 2 Ultra
Starts from ₹54,999
JBL Tune 780NC Wireless Headphones
Starts from ₹7,999
Philips 5G Smartphone India Launch Date Confirmed: Here’s What We Know
Boltt Reveals Software Update Policy for Ace 5G and Evo Ahead of September 1 Sale