Irish man asks Grok about moving to India after visiting Kolkata
Photo Credit: Unsplash/@chabhiak
কলকাতার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, দর্শনীয় স্থান, এবং স্ট্রিট ফুডের টানে প্রত্যেক বছরই শহরে ভিড় জমান প্রচুর বিদেশি পর্যটক। বিশেষ করে দুর্গাপুজোর সময় রাজ্যে আসেন ভারতে ঘুরতে আসা বিদেশিরা। কিন্তু কোনও বিদেশি পর্যটক যদি কলকাতায় ঘুরতে এসে এ দেশে পাকাপাকিভাবে থেকে যাওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন, তাহলে অবাক হওয়ারই কথা। বাস্তবে কিন্তু এমনটাই ঘটেছে। আয়ারল্যান্ডের এইডেন জয়েস কলকাতায় আসার পর শহরকে এতটাই ভাল লেগে যায় তাঁর যে, Grok-এর কাছে ভারতে নাগরিকত্ব পাওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চান। ঘটনাচক্রে, বিষয়টি ওই AI চ্যাটবটের মালিক ধনকুবের ইলন মাস্কেরও নজরে আসে।
জয়েস মাস্কেরই সামাজিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এক্স-এর একটি পোস্টে লেখেন, "সবাইকে নমস্কার, আমি সবেমাত্র কলকাতায় এসে পৌঁছেছি। জায়গাটা আমার এতটাই ভাল লেগেছে যে, আমি এখানেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তারপর ইলনেরই সংস্থা xAI-এর তৈরি গ্রোক চ্যাটবটকে প্রশ্ন করেন, ভারতের নাগরিকত্ব পেতে কত সময় লাগতে পারে।
Hilarious thread of Irish guy asking about moving to India.It takes 12 years for citizenship, you must renounce previous passports, of course zero welfare -- they'll just deport you.
— Peter St Onge, Ph.D. (@profstonge) September 11, 2026তারপরেই Grok-এর সঙ্গে তাঁর কথোপকথন সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে মাস্ক নিজেও মন্তব্য করেন। তিনি লেখেন, "ইন্ডিয়া ইজ রিয়েলিস্টিক"৷ অনুমান করা হচ্ছে, তিনি ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার বাস্তবধর্মী নিয়মকানুনের দিকটি বোঝাতে চেয়েছেন। কারণ শুধু এ দেশে থাকতে ভাল লাগছে বলে নাগরিকত্ব পাওয়া যায় না।
জানিয়ে রাখি, ইলন মাস্কের কোম্পানি SpaceX-এর মালিকানাধীন Starlink ভারতে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরেই। এবার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটতে পারে। কারণ ডিজিটাল কমিউনিকেশন কমিশন ভারতের টেলি নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান টেলিকম রেগুলারিটি অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার (TRAI) স্যাটেলাইট স্পেকট্রাম সংক্রান্ত অধিকাংশ সুপারিশে অনুমোদন দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
রিপোর্ট অনুসারে, এর ফলে ভারতে বাণিজ্যিক পরিষেবা চালানোর জন্য স্যাটকম সংস্থাগুলি স্পেকট্রাম বন্টনের পথ কিছুটা হলেও পরিষ্কার হয়েছে। এবার সেই প্রস্তাব চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভার কাছে পাঠাতে পারে কেন্দ্রীয় টেলিযোগাযোগ দফতর (DoT)। তবে তারপরেও নিরাপত্তাজনিত ছাড়পত্রের প্রয়োজন হবে।
সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স ছাড়া কমার্শিয়াল লঞ্চ সম্ভব নয়। এছাড়াও, স্টারলিঙ্কের মালিকানা 100 শতাংশ বিদেশি বিনিয়োগ থাকার ফলে সেটা নিয়েও সমস্যা হচ্ছে। তবে ইলন মাস্ক এখনও ভারতে স্টারলিঙ্ক পরিষেবা চালু করার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়ে চলেছেন।
প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.