five WhatsApp settings that everyone should enable
Photo Credit: Pexels/BM Amaro
WhatsApp বর্তমানে দৈনন্দিন যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠেছে। অফিসের গুরুগম্ভীর কথা থেকে পারিবারিক সদস্য বা বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে আড্ডা, সবকিছুর সাক্ষী এই মেসেজিং অ্যাপ। WhatsApp ব্যক্তিগত মেসেজ ও কলের (ভিডিও/ভয়েস) জন্য ডিফল্টভাবে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন চালু রাখে। অর্থাৎ, সমস্ত কথা প্রেরক এবং প্রাপকের মধ্যে গোপন থাকে। কোম্পানি বা অন্য কোনও তৃতীয় পক্ষের চ্যাটের নাগাল পায় না। কিন্তু এর বাইরেও বেশ কিছু ফিচার আছে, যা অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, হোয়াটসঅ্যাপের কোন পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস চালু করলে অ্যাকাউন্টের গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে।
হোয়াটসঅ্যাপ খুলে সেটিংস > অ্যাকাউন্ট > টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন > টার্ন অনে যান। তারপর একটি ছয় সংখ্যার পিন তৈরি করুন। যদি কেউ অন্য ডিভাইসে আপনার নম্বর দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলার চেষ্টা করে, তাহলে ওটিপি-র পাশাপাশি ওই পিন দিতে হবে। ফলে সহজে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হবে না। তবে জন্মতারিখ বা সহজে অনুমান করা যায় এমন পিন ব্যবহার না করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
ভারতের টেলি নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান টেলিকম রেগুলারিটি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা ট্রাই (TRAI)-এর নানা পদক্ষেপ সত্ত্বেও, ভারতে স্প্যাম এবং ফ্রড কলের সমস্যা এখনও সম্পূর্ণ দূর হয়নি। তাই অপ্রয়োজনীয় কল এড়াতে হোয়াটসঅ্যাপের "সাইলেন্স আননোন কলার্স" ফিচার অন করে রাখুন। এতে কনট্যাক্ট লিস্টে সেভ না থাকা নম্বর থেকে কল এলে ফোন বাজবে না। তবে সেই কলগুলি Calls ট্যাবে পরে দেখে নিতে পারবেন। ফলে বিরক্তি কমবে।
হোয়াটসঅ্যাপে "প্রোটেক্ট আইপি অ্যাড্রেস ইন কলস" ফিচার চালু থাকলে কল সরাসরি কোম্পানির সার্ভারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ফলে অপর ব্যক্তি আপনার আইপি অ্যাড্রেস দেখতে পাবে না ও আনুমানিক অবস্থান জানা কঠিন হয়ে পড়বে। তবে সার্ভারের মাধ্যমে কল রিলে হওয়ার কারণে কিছু ক্ষেত্রে কল কোয়ালিটি সামান্য প্রভাবিত হতে পারে। ফিচারটি চালু করতে সেটিংস > প্রাইভেসি > অ্যাডভান্সড > প্রোটেক্ট আইপি অ্যাড্রেস ইন কলস-এ গিয়ে অপশন অন করুন।
আমাদের কনট্যাক্টে এমন অনেক নম্বর সেভ থাকে, যাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ প্রয়োজন হয় না। সে ক্ষেত্রে প্রাইভেসি সেটিংস ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তথ্য লুকিয়ে ফেলুন। এর জন্য প্রথমে সেটিংস খুলে প্রাইভেসি অপশনে যান। সেখানে লাস্ট সিন ও অনলাইন, প্রোফাইল ফটো, অ্যাবাউট, লিঙ্কস, ও স্টেটাসের জন্য আলাদা আলাদা প্রাইভেসি কন্ট্রোল বিকল্প পাবেন।
হোয়াটসঅ্যাপে ব্যক্তিগত তথ্য অন্যের নজর থেকে দূরে রাখতে অ্যাপ লক ও চ্যাট লক ফিচার ব্যবহার করা যেতে পারে। অ্যাপ লক চালু থাকলে হোয়াটসঅ্যাপ খুলতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস লক বা পাসকোড দিয়ে পরিচয় যাচাই করতে হবে। অন্য দিকে, চ্যাট লকের মাধ্যমে লক করা কথোপকথনগুলি সাধারণ ইনবক্স থেকে একটি আলাদা সুরক্ষিত ফোল্ডারে চলে যাবে। ফলে আপনি ছাড়া অন্য কেউ চ্যাটের নাগাল পাবে না।
প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.