MySpace শিখিয়েছিল,অনলাইনে কীভাবে নিজের পরিচয় তৈরি করা যায় ও শিল্পীরা তাদের সৃষ্টি কীভাবে শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দিতে পারে।
Photo Credit: Unsplash/Shutter Speed
MySpace was the most used social networking site from 2005 and 2008
MySpace নামটা জেন জি বা নতুন প্রজন্মের কাছে হয়তো অনেকটাই অচেনা এবং অজানা। কিন্তু 2000 দশকের মাঝামাঝি সময়ে এই প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছিল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া নেটওয়ার্ক। মানুষ অনলাইনে কীভাবে নিজের পরিচয় তৈরি করতে পারে এবং শিল্পীরা তাদের সৃষ্টি কীভাবে শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দিতে পারে, তা শিখিয়েছিল মাইস্পেস। বর্তমানে অবশ্য ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামের যুখে মাইস্পেস শুধু স্মৃতির চিলেকোঠায় থেকে গিয়েছে। তবে যদি নিখাদ বন্ধুত্বের সেই দিনগুলো আবার ফিরে আসে, তাহলে কেমন লাগবে? ঠিকই আন্দাজ করেছেন। MySpace নবরূপে ইন্টারনেটের জগতে ফিরে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
মাইস্পেস এখনও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। কিন্তু এতে সোশ্যাল মিডিয়ার কোনও ফিচার নেই। এটি এখন মূলত আর্কাইভ এবং মিউজিক সম্পর্কিত খবরের প্ল্যাটফর্ম হিসেবেই কাজ করে। সম্প্রতি একটি ডকুমেন্টারিতে মাইস্পেসের বর্তমান মালিকরা ফের মাইস্পেস চালু করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।
মাইস্পেসের মালিকরা বলেছেন, তাঁরা প্ল্যাটফর্মটিকে নতুন করে লঞ্চের জন্য উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষায় আছেন। তবে নতুন মাইস্পেস কবে ফিরবে বা পুরনো প্ল্যাটফর্মের তুলনায় কী কী পরিবর্তন আনা হবে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
2003 সালে MySpace-এর পথ চলা শুরু হয়েছিল। এটি 2005 থেকে 2008 সাল পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ছিল। এমনকি 2006 সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাইস্পেসের ওয়েবসাইটে ভিজিটরের সংখ্যা গুগলকেও ছাপিয়ে গিয়েছিল। এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলির ডিজাইন নির্দিষ্ট ও গোছালো। কিন্তু মাইস্পেস ব্যবহারকারীরা নিজেদের প্রোফাইলের চেহারা ইচ্ছামতো কাস্টমাইজ করতে পারতেন।
প্রোফাইলে গান সেট করে রাখা যেত এবং কেউ সেখানে ঢুকলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে গান বাজতো। 2000-এর দশকে সেটাই ছিল বিশাল মজাদার ব্যাপার। ব্যাকগ্রাউন্ডের রঙ থেকে লেখার ফন্ট, ছবি, ও গান সবকিছুতেই ফুটে উঠত ব্যক্তিগত পছন্দের ছাপ।
2008 সালে মাইস্পেস ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল 11.5 কোটিরও বেশি। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বী ফেসবুক যত জনপ্রিয় হতে শুরু করে, মাইস্পেসের আধিপত্য ততই কমতে থাকে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে না পেরে সোশ্যাল মিডিয়ার জগতে প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে ফেলে মাইস্পেস। বিজ্ঞাপনদাতারা ফেসবুক চলে যাওয়ার কারণে বাড়তে থাকে লোকসান।
এখনকার সোশ্যাল মিডিয়া জায়েন্টদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে মাইস্পেসের সফলভাবে ফিরে আসা অনেকটাই কঠিন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে নতুন প্রজন্মের একাংশ এমন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করতে চাইছেন, যেখানে ইউজারদের নিয়ন্ত্রণ বেশি এবং অ্যালগরিদমের হস্তক্ষেপ কম। কে বলতে পারে, এই ধারণার উপর ভিত্তি করে MySpace-এর প্রত্যাবর্তনের বড় সুযোগ তৈরি হতে পারে।
প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Vivo X300 FE Price in India Hiked Again Amid Rising Memory Costs
Googlebook Laptops From Asus and Lenovo Leak in Renders Ahead of Official Launch