Wi-Fi 5 চালু হয়েছিল 2013 সালে, যেখানে Wi-Fi 6 এসেছিল 2019 সালের সেপ্টেম্বর মাসে।
Photo Credit: Unsplash/Dreamlike Street
Wi-Fi 5 vs Wi-Fi 6: key differences explained
বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট ছাড়া বিশ্ব অচল। স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, স্মার্ট টিভি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য Wi-Fi অত্যন্ত জরুরি। প্রযুক্তি জগতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হল ওয়্যারলেস কানেক্টিভিটি বা তারবিহীন সংযোগ ব্যবস্থার সূচনা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ওয়্যারলেস টেকনোলজি উন্নত হয়েছে। এখন ওয়াই-ফাই ব্যবহার করতে গেলেই প্রধানত দুটি নাম শোনা যায়। একটি হল Wi-Fi 5 ও অপরটি Wi-Fi 6। এগুলি আসলে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের সবচেয়ে জনপ্রিয় দুই স্ট্যান্ডার্ড। কিন্তু এই প্রযুক্তিদ্বয়ের মধ্যে পার্থক্য কোথায়, তা অনেকেই বলতে পারবে না।
কোনটিতে ইন্টারনেটের গতি বেশি, একসঙ্গে একাধিক ডিভাইস কানেক্ট করা সহজ, এবং নেটওয়ার্ক রেঞ্জ ভাল, তা এখনও অধিকাংশ মানুষের অজানা। তাই আজকের প্রতিবেদনে Wi-Fi 5 এবং Wi-Fi 6 স্ট্যান্ডার্ডের মধ্যে মূল পার্থক্যগুলি আলোচনা করা হল।
প্রথমেই গতির প্রসঙ্গে আসা যাক। আধুনিক ওয়্যারলেস প্রযুক্তিগুলোর মধ্যে ওয়াই-ফাই 5 স্ট্যান্ডার্ডের স্পিড অনেকটাই কম। এই প্রযুক্তিতে কিছু ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ 6.9 জিবিপিএস তাত্ত্বিক গতি পাওয়া যেতে পারে। অন্য দিকে, বেশি ব্যান্ডউইথ প্রয়োজন হয় এমন কাজ সামলানোর ক্ষেত্রে ওয়াই-ফাই 6 অনেক বেশি দক্ষ।
ওয়াই-ফাই 6 প্রযুক্তির ক্ষেত্রে তাত্ত্বিক গতি সর্বোচ্চ 9.6 জিবিপিএস-এ পৌঁছতে পারে। অনলাইন গেমিং, উচ্চ রেজোলিউশনে ভিডিও দেখা, এবং একসঙ্গে একাধিক বড় ফাইল ডাউনলোড করতে প্রযুক্তিটি বেশি পারদর্শী। তবে বাস্তবে ব্যবহৃত ডিভাইস এবং অন্যান্য পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে ইন্টারনেটের গতি কম হতে পারে। সাধারণভাবে Wi-Fi 5 এর তুলনায় Wi-Fi 6 স্ট্যান্ডার্ডে বেশি ইন্টারনেট স্পিড পাওয়া যায়।
Wi-Fi 5 কেবলমাত্র 5 গিগাহার্টজ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড সাপোর্ট করে। শুধু একটি ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করার কারণে রেঞ্জ তুলনামূলকভাবে কম হলেও, এটি দ্রুত ইন্টারনেট স্পিড দিতে সক্ষম। এছাড়াও, প্রযুক্তিটি নেটওয়ার্কে অতিরিক্ত চাপ কমাতে সাহায্য করে।
Wi-Fi 6 প্রযুক্তিতে 2.4 গিগাহার্টজ ও 5 গিগাহার্টজ, দুই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের সমর্থন রয়েছে। সাধারণত 2.4 গিগাহার্টজ ব্যান্ডের রেঞ্জ বেশি। অর্থাৎ, বেশি দূরেও ইন্টারনেট সিগন্যাল পাওয়া যায়। ডুয়াল ব্যান্ড সাপোর্ট থাকার কারণে এই টেকনোলজি দ্রুত গতির পাশাপাশি আরও বিস্তৃত এলাকায় নেটওয়ার্ক ব্যবহারের সুবিধা প্রদান করে।
Wi-Fi 5 একসঙ্গে একাধিক ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ সামলানোর ক্ষেত্রে Wi-Fi 6 প্রযুক্তির মতো ততটা উন্নত নয়। ফলে বেশি ডিভাইস সংযুক্ত থাকলে ইন্টারনেট ব্যবহারে সমস্যা হতে পারে।
Wi-Fi 6 স্ট্যান্ডার্ডের অন্যতম সুবিধা হল অর্থোগোনাল ফ্রিকোয়েন্সি ডিভিশন মাল্টিপল অ্যাক্সেস। এই প্রযুক্তির সাহায্যে ওয়াই-ফাই চ্যানেলকে ছোট ছোট অংশে বিভক্ত করে একসঙ্গে একাধিক ডিভাইসের মধ্যে ব্যবহার করা যায়। ফলে নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্স বজায় থাকে। এই কারণে বাড়িতে একাধিক সদস্য, স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, টিভি, ও অন্যান্য স্মার্ট ডিভাইস থাকলে Wi-Fi 6 বেশি উপযোগী।
বয়সের দিক থেকে দেখলে Wi-Fi 6 এর তুলনায় Wi-Fi 5 অনেক বেশি পুরনো। 2013 সালে Wi-Fi Alliance এই মান চালু করেছিল। যদিও এখনও প্রচুর ডিভাইস এই ওয়্যারলেস কানেক্টিভিটি সাপোর্টের সঙ্গে বাজারে উপলব্ধ।
অন্য দিকে, Wi-Fi 6 তুলনামূলকভাবে নতুন প্রযুক্তি। 2019 সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই মান চালু করেছিল Wi-Fi Alliance। ফলে প্রযুক্তিটির বয়স প্রায় সাত বছর। Wi-Fi 5 স্ট্যান্ডার্ডের চেয়ে প্রায় অর্ধেক বয়স। বর্তমানে বেশিরভাগ দামি ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনে Wi-Fi 6 সমর্থন রয়েছে।
প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Apple Watch Series 12
Starts from ₹56,900
Samsung Galaxy Watch Ultra 2
Starts from ₹63,999
Samsung Galaxy Watch 9 (44mm, LTE)
Starts from ₹41,999
Samsung Galaxy Watch 9 (40mm, LTE)
Starts from ₹38,999
Samsung Galaxy Watch 9 (40mm)
Starts from ₹36,999
Samsung Galaxy Watch 9 (44mm)
Starts from ₹40,999