রিস্টার্ট ও সুইচ অফে একইরকম পদ্ধতিতে ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস বন্ধ হয়, র্যাম পরিষ্কার হয়, ও টেম্পোরারি ফাইল মুছে যায়।
With smartphones, switching it off and restarting it will give you different outcomes
বর্তমানে প্রায় সমস্ত মোবাইল ফোনে পাওয়ার বাটন চাপলে সাধারণত দুটি অপশন চলে আসে। একটি হল সুইচ অফ এবং অন্যটি রিস্টার্ট বা রিবুট। বেশিরভাগ মানুষের ধারণা, এই দুই অপশনের কাজ একই এবং এদের মধ্যে কোনই পার্থক্য নেই। তাই ফোনের গতি আচমকা কমে গেলে বা কাজ করা বন্ধ করে দিলে যে বিকল্প প্রথম চোখের সামনে আসে, স্ক্রিনে তার উপর আমরা টাচ করে থাকি। কিন্তু বাস্তবে ফোন অফ করা ও রিবুট করার মধ্যে প্রযুক্তিগত পার্থক্য রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কী সেই ফারাক।
অফিস থেকে সদ্য বাড়ি ফিরেছেন। ক্লান্তিতে চোখ ভেঙে আসছে৷ এই অবস্থায় এনার্জি ফিরে যাওয়ার জন্য কেউ পানীয়তে চুমুক দেন, আবার কেউ চোখ বুজে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিলে চাঙ্গা হয়ে যান। রিস্টার্ট ও সুইচ অফ প্রায় একইরকম পদ্ধতিতে ফোনের এনার্জি ফিরিয়ে আনে। ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস বন্ধ হয়, র্যাম পরিষ্কার হয়ে যায়, ও টেম্পোরারি ফাইল মুছে গিয়ে কম সময়ের মধ্যে ফোনকে নতুন উদ্যোমে কাজ করার সুযোগ দেয়।
দুই ক্ষেত্রেই সিস্টেম ফ্রেশ স্টার্ট পায়। কিন্তু রিস্টার্ট বা রিবুট অপশনে মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন হয়, যেখানে পাওয়ার অফ করার পর সিস্টেম সম্পুর্ণরূপে শাটডাউন হয়ে যায়। পাওয়ার বাটন ম্যানুয়ালি চালু না করা পর্যন্ত ফোন বন্ধ থাকে। অপশনগুলির মধ্যে প্রধান পার্থক্য এখানেই। কিন্তু এখন প্রশ্ন হল, ফোনের গতি কমে গেলে কোনটা বেশি কার্যকরী।
স্মার্টফোন আচমকা স্লো হয়ে যাওয়া, ইন্টারনেট অচল হওয়া, অ্যাপ আটকে যাওয়া বা সিস্টেম ক্র্যাশ করার মতো সমস্যাগুলির ক্ষেত্রে রিস্টার্ট করা সবচেয়ে ভাল সমাধান। ফোন রিবুট করলে র্যাম পরিষ্কার হয় এবং অনেক সফটওয়্যার বাগ নিজে থেকে ঠিক হয়ে যায়। রিস্টার্টের পর ফোন তুলনামূলক মসৃণ গতিতে কাজ করতে শুরু করে। এক কথায়, দ্রুত সিস্টেম রিফ্রেশ ও ছোটখাট সমস্যা ঠিক করার জন্য রিবুটের বিকল্প নেই।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা সপ্তাহে অন্তত একবার ফোন রিস্টার্ট করার পরামর্শ দেয়। এতে ডিভাইসের পারফরম্যান্স ভাল থাকে৷ তাহলে সুইচ অফ কখন করবেন? দীর্ঘক্ষণ ধরে গেম খেলা বা ভারী কাজ করার সময় ফোনের উপর চাপ পড়ে। ফোনের সামনের ও পিছনের অংশ গরম হয়ে ওঠে। এই পরিস্থিতিতে রিস্টার্ট করলে কাজ হয় না। তখন কিছু সময়ের জন্য ফোন পাওয়ার অফ করে রাখা জরুরি। এতে অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যার বিশ্রাম পায় এবং ব্যাটারির উপর থেকে প্রেশার কমে গিয়ে ডিভাইস দ্রুত ঠান্ডা হয়।
প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Huawei Mate 90 Series Launch Timeline Revealed in New Leak; Mate XT 2 May Arrive Separately
Xiaomi, Apple, Google Reportedly Join Hands to Advance Qi 50W Wireless Charging Standard