A detailed comparison of Xiaomi 17T and Vivo X200T
Xiaomi 17T গতকাল (জুন 4) ভারতে লঞ্চ হয়েছে। শাওমির নতুন প্রিমিয়াম ফোনে Leica-টিউনড ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা সেটআপ, Dimensity 8500 Ultra প্রসেসর, ও 6,500mAh ব্যাটারি রয়েছে। Xiaomi 17 মডেলের সমান দামে ভিভোর একটি চমৎকার ফোন ভারতে বিক্রি হচ্ছে৷ Vivo X200T মডেলে 6,200mAh ব্যাটারি, ট্রিপল 50 মেগাপিক্সেল Zeiss রিয়ার ক্যামেরা, এবং ফ্ল্যাগশিপ Dimensity 9400+ চিপসেট রয়েছে। দুই ফোনেই অনবদ্য ক্যামেরা, শক্তিশালী প্রসেসর, ও বড় ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন প্রশ্ন হচ্ছে Xiaomi 17T ও Vivo X200T-এর মধ্যে কোন ফোন সেরা এবং কিনলে বেশি লাভ? নিচের তুলনা দেখলেই উত্তর পেয়ে যাবেন।
Xiaomi 17T-এর দাম 59,999 টাকা থেকে শুরু হচ্ছে। বেস মডেলে 12 জিবি র্যাম এবং 256 জিবি স্টোরেজ রয়েছে। 12 জিবি র্যাম ও 512 জিবি স্টোরেজ পাওয়া যাবে 64,999 টাকায়।
অন্য দিকে, Vivo X200T-এর 12 জিবি র্যাম এবং 256 জিবি স্টোরেজের দামও 59,999 টাকা রাখা হয়েছে। তবে 12 জিবি র্যাম + 512 জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টের মূল্য 69,999 টাকা, যা Xiaomi 17T-এর চেয়ে 5,000 টাকা বেশি।
শাওমি 17টি একটি 6.59 ইঞ্চি অ্যামোলেড ডিসপ্লে পেয়েছে। এটি 1.5K রেজোলিউশন (1,268 x 2,756 পিক্সেল), 120 হার্টজ রিফ্রেশ রেট, ও 3,500 নিট পিক ব্রাইটনেস অফার করে৷ এছাড়াও, HDR10+, ডলবি ভিশন, ও 480 হার্টজ টাচ স্যাম্পলিং রেট সাপোর্ট করে৷ সফটওয়্যারের দিক থেকে এতে Android 16 ভিত্তিক HyperOS 3 কাস্টম স্কিন প্রি-ইনস্টলড আছে।
ভিভো এক্স200টি ফোনে 6.67 ইঞ্চি অ্যামোলেড ডিসপ্লে রয়েছে। এটি 1.5K রেজোলিউশন (2,800 x 1,260 পিক্সেল), 120 হার্টজ রিফ্রেশ রেট, HDR10+, ও 5,000 নিট পিক ব্রাইটনেস সাপোর্ট করে। এটি Android 16 নির্ভর OrginOS 6 কাস্টম স্কিনের সঙ্গে এসেছে। ভিভো পাঁচটি মেজর OS আপগ্রেড ও সাত বছর সিকিউরিটি প্যাচ আপডেট প্রদান করবে।
Xiaomi 17T তিন ন্যানোমিটার ফ্যাব্রিকেশনে নির্মিত Dimensity 8500 Ultra প্রসেসর ব্যবহার করেছে। এই চিপের পিক ক্লক স্পিড 3.4 গিগাহার্টজ। ডিভাইসে 6,500mAh সিলিকন কার্বন ব্যাটারি রয়েছে, যা 67W হাইপারচার্জ ও 22.5W রিভার্স চার্জিং সাপোর্ট করে।
Vivo X200T আরও পাওয়ারফুল Dimensity 9400+ প্রসেসর দ্বারা চালিত। এটি একটি তিন ন্যানোমিটার চিপসেট, যার পিক ক্লক স্পিড 3.73 গিগাহার্টজ। এতে 6,200mAh ব্যাটারি এবং 90W ওয়্যার্ড ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট আছে। ব্যাটারি ক্ষমতার দিক থেকে Xiaomi 17T-এর অ্যাডভ্যান্টেজ, কিন্তু Vivo X200T-এর সাথে 40W ওয়্যারলেস চার্জিং সাপোর্ট পাওয়া যায়, যা শাওমির ফোনে অনুপস্থিত।
Xiaomi 17T-এর পিছনে Light Hunter 800 সেন্সরের সঙ্গে 50 মেগাপিক্সেল মেইন ক্যামেরা, 50 মেগাপিক্সেল পেরিস্কোপ টেলিফটো ক্যামেরা এবং 12 মেগাপিক্সেল আল্ট্রাওয়াইড লেন্স থাকছে। প্রতিটি ক্যামেরা 60fps-এ 4K ভিডিও রেকর্ড করতে সক্ষম। সামনে 32 মেগাপিক্সেল ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে।
Vivo X200T মডেলের পিছনেও তিনটি ক্যামেরা আছে। কিন্তু ফোনটির প্রত্যেকটি ক্যামেরা 50 মেগাপিক্সেলের। প্রাইমারি ক্যামেরায় 50 মেগাপিক্সেল Sony IMX921 সেন্সর রয়েছে। একইসঙ্গে, 50 মেগাপিক্সেল পেরিস্কোপ টেলিফটো ক্যামেরা ও 50 মেগাপিক্সেল আল্ট্রাওয়াইড লেন্স আছে। সামনে একটি 32 মেগাপিক্সেল ক্যামেরা বর্তমান।
ফটোগ্রাফি ডিপার্টমেন্টে দুই ফোনেই সেয়ানে সেয়ানে টক্কর দিচ্ছে। শাওমির ফোনে সিগনেচার Leica টিউনিং রয়েছে, যা ছবির অথেন্টিক কালার তুলে ধরবে। ভিভোর ফোনে Zeiss-এর তৈরি ইমেজিং সিস্টেম আছে। এটি অসাধারণ পোট্রেট স্টাবিলাইজেশন অফার করবে। তবে 120x AI Ultra জুম ও 5x অপটিক্যাল জুম থাকার কারণে Xiaomi 17T দূরের ছবি আরও সুন্দর এবং স্পষ্টভাবে ক্যাপচার করতে সক্ষম।
অন্য দিকে, Vivo X200T প্রকৃত অর্থে বহুমুখী ক্যামেরা ফোন। এর Zeiss অপটিক্স সুন্দরভাবে ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার করে দুর্ধর্ষ পোট্রেট শট নিতে সক্ষম। ছবিতে ন্যাচারাল স্কিন টোন ফুটে উঠবে। 50 মেগাপিক্সেল আল্ট্রাওয়াইড ক্যামেরা শাওমির ফোনের 12 মেগাপিক্সেল ক্যামেরার তুলনায় উন্নত শট নিতে পারবে।
ডিসপ্লে ও ব্যাটারি বিভাগে Xiaomi 17T এগিয়ে৷ কিন্তু পারফরম্যান্সে Vivo X200T অনেকটাই পিছনে ফেলছে। ক্যামেরার ক্ষেত্রে দুই ফোনেরই কাঁটে কা টক্কর। তবে কী ধরনের ছবি তুলতে পছন্দ করেন, তার উপরেই ফোন নির্বাচন নির্ভর করছে।
প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.