বিজ্ঞানীরা বিশেষ ধরনের গ্যাস ব্যাটারি বানাতে সক্ষম হয়েছেন, যা বাতাস থেকে দূষিত গ্যাস শুষে নিয়ে বিদ্যুতে রূপান্তর করবে।
Photo Credit: Unsplash/Ella Ivanescu
South Korean scientists develop a device that turns harmful air pollutants into electricity
বায়ু দূষণ বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম প্রধান পরিবেশগত সমস্যা। যানবাহন থেকে নির্গত ধোঁয়া, শিল্প কারখানা থেকে নির্গত ক্ষতিকারক গ্যাস, এবং জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড মিশে মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশের উপর খারাপ প্রভাব ফেলছে। তাই বিজ্ঞানীরা এমন একটি যন্ত্র তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন, যা বাতাস থেকে দূষিত গ্যাস শুষে নিয়ে বিদ্যুতে রূপান্তর করবে। নতুন আবিষ্কৃত কনসেপ্ট ডিভাইসের নাম গ্যাস ক্যাপচার ও ইলেকট্রিসিটি জেনারেটর (GCEC)। সহজ ভাষায় বললে, এটি এক বিশেষ ধরনের গ্যাস ব্যাটারি (Gas Battery), যার মধ্যে দূষণকে শক্তিতে বদলে ফেলার ক্ষমতা রয়েছে।
কার্বন ক্যাপচার প্রযুক্তি নতুন নয়৷ এর মাধ্যমে বাতাস থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করে রাখা হয়, যাতে তা পরিবেশে ছড়াতে না পারে। কিন্তু এই পদ্ধতিতে অনেক বেশি শক্তি খরচ হয়। কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ার গবেষকদের বানানো গ্যাস ব্যাটারি বাতাস থেকে সংগ্রহ করা গ্যাসকেই বিদ্যুতে রূপান্তর করতে সক্ষম হয়েছে। আগে যেখানে কার্বন ক্যাপচার করতে আলাদা পাওয়ার লাগতো।
নতুন প্রযুক্তি একদিকে যেমন বায়ু দুষণ কমাচ্ছে, অন্য দিকে সেই দূষণকেই জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদন করছে। জার্নাল এনার্জি ও এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে সেই গ্যাস ক্যাপচার এবং ইলেকট্রিসিটি জেনারেটরের কার্যপ্রণালী ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
নতুন যন্ত্রে কার্বন বেসড ইলেকট্রোড ও হাইড্রোজেল পদার্থের সংমিশ্রণ ব্যবহার করা হয়েছে। এগুলি গ্যাস শোষণ ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। বিজ্ঞানীদের দাবি, এটি কার্বন ডাই অক্সাইড কিংবা নাইট্রোজেন অক্সাইড শোষণ করতে পারে। যখন দূষিত গ্যাস ডিভাইসের ভিতরে প্রবেশ করে, তখন সেখানে থাকা চার্জড পার্টিকলের স্থানান্তর ও পুনর্বিন্যাস ঘটে। এই ভাবে ডাইরেক্ট কারেন্ট (ডিসি) উৎপন্ন হয়৷।
গবেষকরা জানিয়েছেন, ডিভাইসটি ছোট স্কেলে 50 পিপিএম নাইট্রাস অক্সাইডের সংস্পর্শে প্রায় 0.8 ভোল্ট এবং 55 মাইক্রোঅ্যাম্পিয়ার বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম হয়েছে। শুনতে সামান্য হলেও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে একে বাড়িয়ে 3.8 ভোল্ট ও 140 মাইক্রোঅ্যাম্পিয়ার করা সম্ভব বলে মনে করছেন তারা। এটি ওয়্যারেবল ডিভাইস, পরিবেশ মনিটর করার সেন্সর, ও ব্যাটারিহীন IoT যন্ত্রে পাওয়ার সোর্স হিসেবে কাজ করতে পারে। এই প্রযুক্তি বড় এনার্জি সিস্টেমে ইন্টিগ্রেট করা সম্ভব হলে কার্বন নিউট্রালিটি বা কার্বন নিরপেক্ষতা অর্জনে গতি আনতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Samsung Galaxy Watch 9 (44mm, LTE)
Starts from ₹44,590
Samsung Galaxy Watch 9 (40mm, LTE)
Starts from ₹41,061
Samsung Galaxy Watch 9 (40mm)
Starts from ₹37,999
Haier M70 Mini LED 65-inch
Starts from ₹74,990
CMF Buds Neo True Wireless Stereo (TWS) Earphones
Starts from ₹2,199
Xiaomi TV FX Mini LED 65
Starts from ₹64,999