ফোনের সেটিংসে কিছু পরিবর্তন করলেই ইন্টারনেটের স্পিড হু হু করে বাড়তে দেখা যাবে।
Photo Credit: Unsplash/Đức Trịnh
Unused apps can consume data in the background, causing sluggish speeds
স্মার্টফোন বা সিম যে সংস্থার হোক না কেন, ইন্টারনেট স্পিড হঠাৎ করে কমে যাওয়ার সমস্যা সবারই। বর্তমানে নেট ছাড়া এক মুহূর্ত চলা মুশকিল। ইউটিউব বা অন্য কোনও প্ল্যাটফর্মে ভিডিও বারবার থেমে যাওয়া, অ্যাপ সহজে লোড না হওয়া, ও ওয়েবসাইট খুলতে দেরি যেন রোজকার সমস্যায় পরিণত হয়েছে। অনেকেই ভাবেন, মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট স্লো হয়ে যাওয়ার মুখ্য কারণ হল শুধুমাত্র নেটওয়ার্ক। কিন্তু স্মার্টফোন ভুল পদ্ধতিতে ব্যবহারও নেট ধীরগতিতে চলার অন্যতম কারণ হতে পারে। তাই ফোনের সেটিংসে কিছু পরিবর্তন করলেই ইন্টারনেটের স্পিড হু হু করে বাড়তে দেখা যাবে।
1. বর্তমানে বেশিরভাগে স্মার্টফোনে নূন্যতম 64 জিবি বা 128 জিবি স্টোরেজ থাকে। ফলে যখন খুশি আমরা অ্যাপ ইনস্টল করে ফেলি। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপও ফোনে জমতে থাকে। কিন্তু স্টোরেজ যতই খালি থাকুক না কেন, ফোনে একগাদা অ্যাপ রাখার প্রয়োজন নেই। অনেক অব্যবহৃত অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে ডেটা খরচ করে। ফলে ইন্টারনেটের স্পিড কমতে দেখা যায়। তাই সবার আগে ডিভাইস থেকে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ মুছে ফেলুন। যে সব অ্যাপ কম ব্যবহার করেন, কিন্তু কিছু নির্দিষ্ট কাজের জন্য ফোনে রাখতে হয়, সেগুলোর ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা সীমিত করে রাখুন। এতে পুরনো ফোনের গতিও বেড়ে যেতে পারে।
2. অনেক ক্ষেত্রে ক্যাশ মেমোরির কারণেও মোবাইলে ইন্টারনেট স্পিড কমতে পারে। আসলে স্মার্টফোনে থাকা বিভিন্ন অ্যাপ সময়ের সাথে সাথে টেম্পোরারি বা অস্থায়ী ফাইল স্টোর করে রাখে। তাই সেটিংসে গিয়ে অ্যাপ খুলে ক্যাশ ডেটা পরিষ্কার করা জরুরি। এতে স্টোরেজ ফাঁকা হওয়ার পাশাপাশি, ডিভাইসের পারফরম্যান্স এবং নেট স্পিড বাড়তে দেখা যেতে পারে।
3. সফটওয়্যার আপডেট শুধু নতুন ফিচার্স যোগ করার জন্যই নয়, এর মাধ্যমে কানেক্টিভিটি ও পারফরম্যান্সেও আপগ্রেড আসে। ফোনে পুরনো ফার্মওয়্যার থাকলে কখনও কখনও মোবাইল মোবাইল নেটওয়ার্কের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে না পারার সমস্য তৈরি হয়। ফলে ইন্টারনেট স্লো হয়ে যায়। তাই ফোনে ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর উপায় খুঁজলে প্রথমেই নিশ্চিত করুন যে আপনার ডিভাইসে লেটেস্ট সফটওয়্যার আপডেট ইনস্টল করা আছে। সাধারণত নতুন আপডেটে নেটওয়ার্ক সেটিংস এবং কানেক্টিভিটি অপ্টিমাইজেশনও যোগ করা থাকে।
4. সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে স্মার্টফোনের নেটওয়ার্ক কনফিগারেশনে ছোটখাটো সমস্যা বা গ্লিচ সৃষ্টি হতে পারে। এই ধরনের সমস্যা ইন্টারনেট ধীর করতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে নেটওয়ার্ক সেটিংস রিসেট করলে নেটের গতি ফিরতে পারে। নেটওয়ার্ক সেটিংস নতুন করে কনফিগার করলে মোবাইল টাওয়ারের সঙ্গে ফ্রেশ কানেকশন তৈরি করতে পারে।
5. বাজারে উপলব্ধ বেশিরভাগ ফোনে 3G, 4G, এবং 5G-এর মতো একাধিক নেটওয়ার্ক মোড থাকে। তবে ফোন সবসময় সবচেয়ে দ্রুত উপলভ্য নেটওয়ার্ক নাও বাছতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, ফোন নিজে থেকে হাই স্পিড নেটওয়ার্কে সুইচ করতে পারে না। তাই সেটিংসে গিয়ে আপনার এলাকায় ও ফোনে সমর্থিত সর্বোচ্চ নেটওয়ার্ক মোড নির্বাচন করুন। এই ছোট্ট পরিবর্তন ইন্টারনেট স্পিডে বড় পার্থক্য আনতে পারে।
প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Samsung Galaxy Watch 9 (44mm, LTE)
Starts from ₹44,999
Samsung Galaxy Watch 9 (40mm, LTE)
Starts from ₹37,999
Samsung Galaxy Watch 9 (40mm)
Starts from ₹37,999
Haier M70 Mini LED 65-inch
Starts from ₹74,990
CMF Buds Neo True Wireless Stereo (TWS) Earphones
Starts from ₹2,199
Xiaomi TV FX Mini LED 65
Starts from ₹64,999
WhatsApp May Launch a Guest Calls Feature, Allowing People Without an Account to Join Calls
Sony and Guerrilla Games Reportedly Working on a New Killzone Project