LTPO টেকনোলজির পুরো নাম হল লো-টেম্পারেচার পলিক্রিস্টালাইন অক্সাইড।
The biggest advantage of LTPO display is power efficiency
অল্প সময়ের মধ্যে স্মার্টফোনের ডিসপ্লে প্রযুক্তিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এলসিডি (LCD) স্ক্রিনের স্মার্টফোনের মাধ্যমে ডিজিটাল দুনিয়াতে হাতেখড়ি হয়েছে অধিকাংশ মানুষের। এখন এলসিডির জায়গা দখল করেছে আরও উন্নত প্রযুক্তি। একটু দামি ফোন হলেই তাতে অ্যামোলেড (AMOLED), ওলেড (OLED) অথবা পিলেড (pOLED) ডিসপ্লে থাকতে দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে এই ধরনের স্মার্টফোনের প্রচারে উঠে আসছে একটি খটোমটো শব্দ — এলটিপিও (LTPO)। সাধারণত 120 হার্টজ রিফ্রেশ রেট বা অলওয়েজ অন ডিসপ্লে ফিচারের সঙ্গে প্রযুক্তিটির উল্লেখ করা হচ্ছে। কিন্তু এই এলটিপিও আসলে কী? আরও উন্নত কোনও ডিসপ্লে প্যানেল নাকি অন্য কিছু। আজকের প্রতিবেদনে সেই প্রশ্নেরই উত্তর রইল।
এলটিপিও কোনও আলাদা ডিসপ্লে প্যানেল নয়। এটি আসলে ডিসপ্লের ব্যাকপ্লেন। ডিসপ্লের যে অংশ থেকে আলো বের হয় বা আমরা চোখে দেখি তাকে বলা হয় ফ্রন্টপ্লেন। আর যে অংশটি ডিসপ্লের পিছনে আড়ালে বৈদ্যুতিক সিগন্যালের মাধ্যমে পিক্সেল নিয়ন্ত্রণ করে, সেটিই হল ব্যাকপ্লেন। এলটিপিও হল বর্তমান সময়ে সবচেয়ে উন্নত ও ফ্ল্যাগশিপ হাইব্রিড ব্যাকপ্লেন প্রযুক্তি।
স্মার্টফোনের পর্দায় ভিডিও দেখা হোক বা গেম খেলা, স্ক্রিনে দেখানো কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে রিফ্রেশ রেটের ওঠানামা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তনে সাহায্য করে এলটিপিও। এই টেকনোলজির পুরো নামও রয়েছে, যা হল লো-টেম্পারেচার পলিক্রিস্টালাইন অক্সাইড। এটি দুটি ভিন্ন ডিসপ্লে প্রযুক্তির সংমিশ্রণে তৈরি একটি হাইব্রিড সিস্টেম।
LTPO প্রযুক্তি দুই ধরনের সরু ট্রানজিস্টর ব্যবহার করে। প্রথমটি হল LTPS বা লো-টেম্পারেচার পলিক্রিস্টালাইন সিলিকন। এটি স্ক্রলিং বা গেমিংয়ের সময় রেসপন্স উন্নত করে এবং হাই রিফ্রেশ রেট (যেমন 120 হার্টজ) বজায় রাখে। দ্বিতীয়টিতে রয়েছে Oxide TFT, যার প্রধান কাজ ডিসপ্লের বিদ্যুৎ অপচয় বা পাওয়ার লিকেজ রোধ করা।
ওই দুই প্রযুক্তির সমন্বয়ে এলটিপিও ডিসপ্লে যেমন দ্রুত কাজ করে, তেমনই ব্যাটারির খরচ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। তাই একে অ্যামোলেড বা ওলেড স্ক্রিনের বিকল্প ভাবলে ভুল হবে। এটি ডিসপ্লের মস্তিষ্কর মতো কাজ করে পর্দার পিক্সেলগুলির কার্যকম নিয়ন্ত্রণে বড় দায়িত্ব পালন করে। ঠিক এই কারণে স্মার্টফোনের স্পেসিফিকেশনে শিটে এলটিপিও অ্যামোলেড ডিসপ্লে কথাটা উল্লেখ করা থাকে।
এলটিপিও ব্যাটারিতে সঞ্চিত শক্তির অপচয় কমিয়ে স্ক্রিনের রিফ্রেশ রেট নিজে থেকেই খুব দ্রুত বাড়াতে বা কমাতে পারে। আপনি যখন স্মার্টফোনের পর্দায় কোনও স্থির ছবি দেখছেন বা লেখা পড়ছেন, তখন রিফ্রেশ রেট 1 হার্টজে চলে আসে। কারণ এই কাজের জন্য স্ক্রিনকে বেশি রিফ্রেশ করার প্রয়োজন হয় না। ফলে এটি প্রয়োজন অনুসারে রিফ্রেশ রেট কমিয়ে ব্যাটারির চার্জ বেশি সময় ধরে বজায় রাখতে সাহায্য করে।
আবার যখন গেম খেলা হয় বা স্ক্রিনের উপর আঙুলের নাড়াচাড়া বেশি হয়, তখন এলটিপিও নিজে থেকেই রিফ্রেশ রেট 120 হার্টজে পৌঁছে দেয়। অর্থাৎ, ব্যাটারি বাঁচিয়ে রিফ্রেশ রেট কমিয়ে বা বাড়িয়ে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করাই হল এলটিপিও প্রযুক্তির প্রধান কাজ।
LTPO প্রযুক্তির সুবিধার তুলনায় অসুবিধা নিতান্তই কম। এটি তৈরি করতে খরচ অনেক বেশি। উৎপাদন প্রক্রিয়া জটিল হওয়ার কারণে সব নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এটি বানাতে পারে না। ব্যয়বহুল হওয়ার জন্য বাজারে সরবরাহ কম৷ সেই কারণেই প্রযুক্তিটি দামি স্মার্টফোন ও স্মার্টওয়াচের বাইরে সচরাচর দেখা যায় না। তবে ভবিষ্যতে উৎপাদন বাড়লে কম দামি ডিভাইসেও এলটিপিও ডিসপ্লে ব্যবহার হবে বলে আশা করা যায়।
প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Apple Watch Series 12
Starts from ₹56,900
Samsung Galaxy Watch Ultra 2
Starts from ₹58,949
Samsung Galaxy Watch 9 (44mm, LTE)
Starts from ₹41,999
Samsung Galaxy Watch 9 (40mm, LTE)
Starts from ₹38,999
Samsung Galaxy Watch 9 (40mm)
Starts from ₹36,999
Samsung Galaxy Watch 9 (44mm)
Starts from ₹40,999
Razer Hammerhead V3 Chroma Wired Earphones Launched With ANC, IPX4 Rating: Price, Features
Name of Motorola's Upcoming Wide Foldable Phone Revealed in New Leak