Xiaomi 17T is confirmed to feature a Leica-tuned rear camera unit
Photo Credit: Xiaomi
Xiaomi 17T অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে জুনে ভারতে আসছে। আজ শাওমির পক্ষ থেকে অফিসিয়াল লঞ্চের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। কোম্পানির এই নতুন সাব-ফ্ল্যাগশিপ ফোন ভারতের বাজারে জুন 4 লঞ্চ হতে চলেছে। তার আগে Xiaomi 17T ও Xiaomi 17T Pro মে 28 গ্লোবাল মার্কেটে রিলিজ হবে। ডিজাইনের দিক থেকে আসন্ন ফোনগুলি একই রকম দেখতে। তবে Pro মডেল দেশে আসার সম্ভাবনা কম। উভয় হ্যান্ডসেটে তিনটি 50 মেগাপিক্সেল Leica-টিউনড ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা থাকবে বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, Xiaomi T সিরিজের ফোন 2022 সালে শেষবারের মতো ভারতে এসেছিল।
Xiaomi 17T মডেলের হাত ধরে চার বছরের বেশি সময় পর ব্র্যান্ডের T সিরিজের ফোন ভারতে প্রত্যাবর্তন করছে। কোম্পানি এখনও পর্যন্ত তিনটি T-ব্র্যান্ডেড স্মার্টফোন এ দেশে এনেছে: Mi 10T, Mi 10T Pro, ও Xiaomi 11T Pro। শেষের মডেলটি 2022 সালের জানুয়ারিতে দেশে এসেছিল। Xiaomi 12T, Xiaomi 13T, Xiaomi 14T বা Xiaomi 15T সিরিজ ভারতে লঞ্চ হয়নি।
শাওমি দাবি করছে যে, এই বছর T সিরিজের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আপগ্রেড আসছে। অর্থাৎ, পারফরম্যান্স এবং ফিচার্সের দিক থেকে শাওমি 17টি বড় আকারের আপগ্রেড পাচ্ছে। লেটেস্ট রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, স্ট্যান্ডার্ড মডেলে অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন (OIS) প্রযুক্তির সঙ্গে 50 মেগাপিক্সেল মেইন ক্যামেরা দেওয়া হবে। এতে লাইট ফিউশন 800 সেন্সর থাকতে পারে।
Xiaomi 17-এর পিছনে বাকি দুই ক্যামেরা হিসেবে 5x অপটিক্যাল জুমের সাথে 50 মেগাপিক্সেল পেরিস্কোপ টেলিফটো ক্যামেরা ও 12 মেগাপিক্সেল আল্ট্রাওয়াইড লেন্স থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। সেলফি ও ভিডিও কলের জন্য সামনে একটি 32 মেগাপিক্সেল ক্যামেরা দেওয়া হতে পারে। ডিভাইসে 6.59 ইঞ্চি ডিসপ্লে মিলতে পারে। এটি 1.5K রেজোলিউশন ও 120 হার্টজ রিফ্রেশ রেট অফার করবে।
রিপোর্ট অনুসারে, Xiaomi 17T চলতে পারে ফ্ল্যাগশিপ স্তরের Dimensity 8500 Ultra চিপসেটে। ফোনটিতে 6,500mAh ব্যাটারি এবং 67W ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট মিলতে পারে। অন্য দিকে, Xiaomi 17T Pro প্রপার ফ্ল্যাগশিপ Dimensity 9500 প্রসেসর ব্যবহার করতে পারে। এতে 100W ওয়্যার্ড ফাস্ট চার্জিং এবং 50W ওয়্যারলেস ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট মিলতে পারে।
শাওমির নতুন দুই ফোনে Android 16 OS ভিত্তিক HyperOS 3 কাস্টম স্কিন প্রি-ইনস্টলড করা থাকবে। Xiaomi 17T-এর দাম গ্লোবাল মার্কেটে 780 ইউরো থেকে 800 ইউরোর মধ্যে থাকতে পারে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় 69,000 টাকা থেকে 72,000 টাকার সমান।
প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.