সম্প্রতি অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটায় আপৎকালীন সময়ে ক্রু এসকেপ টেকনোলজি সফলভাবে পরীক্ষা করেছে ভাতের মহাকাশ গবেষনা সংস্থা ISRO।
চাঁদে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে ISRO। এই খবর জানিয়েছেন ISRO-র এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক।
“মহাকাশে মানুষ পাঠানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি তৈরী করছে ISRO। আমাদের স্বপ্ন মহাকাশে মানুষ পাঠানো। এই মিশনের একটি ডকুমেন্ট রাখা হচ্ছে।” বলে জানিয়েছেন ISRO চেয়ারম্যান কে সিভান।
সম্প্রতি অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটায় আপৎকালীন সময়ে ক্রু এসকেপ টেকনোলজি সফলভাবে পরীক্ষা করেছে ভাতের মহাকাশ গবেষনা সংস্থা ISRO। সিভান জানিয়েছেন এই পরীক্ষায় একাধিক জটিল প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে।
“ভবিষ্যতে মহাকাশে মানুষ পাঠানোর জন্য প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মোটর খুব ভালো কাজ করেছে। অ্যারোডায়নামিক্স ব্যবহার করে ইচ্ছা মতো দিকে এই যান সরিয়ে প্যারাসুট খোলা সম্ভব হয়েছে।” বলেন সিভান।
মানুষকে মহাকাশে পাঠানোর জন্য এই ক্রূ এসকেপ সিস্টেম তৈরী করছে ISRO। কোন কারনে লঞ্চের সময় কোন বিপদ হলে বা লঞ্চ বাতিল হলে ক্রূ এসকেপ সিস্টেমের মাধ্যমে মহাকাশচারীদের নিরাপদ দুরত্বে ছুঁড়ে ফেলা সম্ভব হবে।
“এখন আমরা প্রস্তুতির পর্যায়ে রয়েছি। এখনো অনেক কিছু তৈরী করতে হবে আমাদের। ” বলেন সিভান।
“সরকারের সাথে আমরা তিন বছরে এই কাজ করার পরিকল্পনা করেছি। এছাড়াও একটি সাত বছরের পরিকল্পনা ও একটি পনেরো বছরের পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।”
স্পেস টুরিজন তৈরী হতে এখনো কিছুটা সময় লাগবে বলে জানানো হয়েছে। মহাকাশে গিয়ে তা ফেরৎ আনার যান তৈরী করতে এখনো পনেরো বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন সিভান।
“আমরা এখনো কাছে পৌঁছাইনি। এর জন্য আমাদের মহাকাশে মানুষ পাঠানোর স্বপ্নকে সফল করতে হবে।” বলেন তিনি।
পাঁচ খন্টার কাউন্টডাউনের পরে 12.6 টনের ক্রূ মডিউল ছুঁড়ে বঙ্গোপসাগরে ফেলা হয়েছিল। পরে প্যারাসুট খুলে সেই যান নীচে নামে। এই সময়ে পৃথিবী থেকে 2.7 কিমি উপরে উঠেছিল মডিউলটি।
প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
The Blood of Dawnwalker Will Get a 60 FPS Performance Mode Patch on Consoles at Launch