যিনি প্রথম যোগাযোগ করে দিয়েছিলেন, সেই ব্যক্তি বিভিন্ন অজুহাতে অতিরিক্ত টাকা চাইতে শুরু করে। মেম্বারশিপ আপগ্রেড, ভ্রমণ খরচ, ইত্যাদির নাম করে একের পর এক পেমেন্টের দাবি করা হয়। বৃদ্ধও টাকার পর টাকা দিতে থাকেন। সেই পেমেন্টের অঙ্ক 32 লাখের বেশি দাঁড়ায়। দাঁড়ায়।