HMD announces collaboration with Sarvam AI to bring AI chatbot to feature phones
Photo Credit: Sarvam
Sarvam AI Chatbot: সোমবার থেকে নয়াদিল্লিতে শুরু হয়েছে এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে (AI Impact Summit)। সেখানে বেঙ্গালুরুর স্টার্টআপ সর্বম এআই (Sarvam AI) তাদের অত্যাধুনিক AI মডেলের সৌজন্যে প্রশংসা আদায় করে নিয়েছে। ভারতীয় সংস্থাটি এবার ফিনল্যান্ডের HMD Global-এর সাথে জোট বাঁধার ঘোষণা করেছে। বর্তমানে AI মূলত স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট-নির্ভর ডিভাইসে সীমাবদ্ধ। কিন্তু সর্বম এআই ও এইচএমডি যৌথভাবে তাদের ও নোকিয়ার সাধারণ ফিচার (কিপ্যাড) ফোনে AI চ্যাটবট যুক্ত করতে চলেছে। ভারতে ফিচার ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা নেহাত কম নয়। নতুন উদ্যোগ তাদের কাছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুবিধা পৌঁছে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এইচএমডি গ্লোবাল জানিয়েছে, তারা সর্বম এআই এর সাথে যৌথভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর কাজ আরম্ভ করেছে। সাধারণত এআই টুল ব্যবহারের জন্য আধুনিক স্মার্টফোন ও ল্যাপটপ বা কম্পিটারের প্রয়োজন হয়। কিন্তু এইচএমডি দাবি করছে, এবার ব্যবহারকারীরা তাদের ফিচার ফোনেই এআই চ্যাটবটের যাথে কথোপকথন করতে পারবে।
Sarvam AI আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স পরিচালিত চ্যাটবট HMD ও Nokia কোম্পানির ফিচার ফোনে যুক্ত করবে। সেই এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট একাধিক ভাষা বুঝতে পারবে ও কথা বলতে সক্ষম হবে। আঞ্চলিক ভাষার সাপোর্ট যুক্ত করে এআই সহকারী প্রযুক্তিকে সহজলভ্য করে তোলার লক্ষ্য নিয়েছে সর্বম। সবাই ইংরেজি কিংবা হিন্দিতে সড়গড় নয়৷ তারা মাতৃভাষাতেই এআই-কে প্রশ্ন করে পরিচিত ভাষায় উত্তর পাবে।
ফিচার ফোনে ঠিক ঠিক কোন কোন ভাষায় AI সাপোর্ট মিলবে, তা এখনও জানায়নি HMD গ্লোবাল। সংস্থার ডেমো ভিডিওতেতে দেখা গিয়েছে, একজন ফিচার ফোনে থাকা একটি ডেডিকেটেড AI বাটন চেপে চ্যাটবটের সাথে কথা বলছেন। সরকারি প্রকল্প সম্পর্কিত প্রশ্ন করলে সেই অনুযায়ী AI উত্তর দিচ্ছে। তবে সুবিধাটি অফলাইনে কাজ করবে কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
সর্বম এআই শুধু ফিচার মোবাইল ফোনে নয়, এআই মডেল স্মার্টগ্লাস এবং গাড়িতেও জুড়ে দেওয়ার প্ল্যান করছে। ভারতীয় সংস্থাটি Sarvam Edge (সর্বম এজ) নামে একটি নতুন অন-ডিভাইস এআই প্ল্যাটফর্ম নিয়ে এসেছে, যা ইন্টারনেট ছাড়াই স্মার্টফোনে PC, ল্যাপটপে চলবে। তারা দাবি করেছে, সর্বম এজ এমন এক ধারণার উপর ভিত্তি করে তৈরি, যেখানে আধুনিক ডিভাইসের নিজস্ব কম্পিউটিং শক্তি উন্নত এআই মডেল লোকালি চালানোর জন্য যথেষ্ট।
অন-ডিভাইস এআই ক্লাউড সার্ভারে ডেটা না পাঠানোর কারণে কাজ খুব দ্রুত হয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যাবতীয় প্রসেসিং ডিভাইসের ভিতর সীমাবদ্ধ থাকার ফলে প্রচলিত ক্লাউড এআই মডেলগুলোর তুলনায় তথ্য ফাঁসের ঝুকি নেই। ইউজারদের প্রাইভেসি নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। ইন্টারনেটের প্রয়োজন না থাকার কারণে রেপপন্স টাইম বা ল্যাটেন্সি খুব কম।
প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.