বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন পৃথিবীতে ঠিক যে পরিস্থিতির জন্য প্রাণের সূত্রপাত হয়ত প্রতিবেশী গ্রহে হয়তো ঠিক একই রকম পরিস্থিতি তৈরী হয়েছিল। এর আগে অন্য এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা মঙ্গল পৃষ্ঠে বরফের সন্ধান পেয়েছিলেন
মঙ্গলপৃষ্ঠের নীচে রয়েছে নোনা জন। এই জলে প্রানের জন্য যথেষ্ট অক্সিজেন রয়েছে। পৃথিবিতেও কয়েক কোটি বছর আগে এই ভাবেই প্রাণের সুচনা হয়েছিল। সোমবার এক গবেষণা রিপোর্টে এই কথা জানানো হয়েছে।
আজ রাতে মঙ্গল পৃথিবীর সবথেকে ঙ্কাছে চলে আসবে মানেই যে মঙ্গল গ্রহ আজ রাতে সবথেকে উজ্জ্বল দেখা যাবে তা নয়। 27 থেকে 30 জুলাই পর্যন্ত সবথেকে উজ্জ্বল দেখা গিয়েছিল মঙ্গলকে।
যথেষ্ট আলোর অভাবেই অপর্চুনিটি যান কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে। মঙ্গলের মাটিতে সৌর বিদ্যুতে এই যান চলে। তাই অপর্চুনিটি যানের ব্যাটারি বাঁচিয়ে রাখতে বিজ্ঞানীরা এই যানের বেশিরভাগ যন্ত্রাংশ বন্ধ করে রেখেছেন।
2020 সালের জুন মাসে লঞ্চ হবে এই প্রোজেক্ট। ফ্লোরিডার কেপ কার্নিভাল এয়ার বেস থেকে লঞ্চ করা হবে এই মিশন। 2021 এর ফেব্রুয়ারীতে মঙ্গলে পৌঁছাবে এই হেলিকপ্টার।