Vivo X300 সিরিজের মুখ্য আকর্ষণ হল ক্যামেরা। দুই ফোনেই Zeiss-এর সহযোগিতায় তৈরি ইমেজিং সিস্টেম, 200 মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা, এবং 50 মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা রয়েছে। উভয় স্মার্টফোনে MediaTek Dimensity 9500 প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। Vivo X300 এবং Vivo X300 Pro-এর সঙ্গে Zeiss 2.35x টেলিকনভার্টার কিট অফার করছে কোম্পানি।
Vivo X300 এর দাম ভারতে 75,999 টাকা থেকে শুরু হতে পারে। বেস মডেলে 12 জিবি র্যাম ও 256 জিবি স্টোরেজ মিলবে। অন্য দিকে, 12 জিবি র্যাম এবং 512 জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টের দাম 81,999 টাকা হতে পারে।
Vivo X300 সিরিজে Zeiss টেলিফটো এক্সটেন্ডার কিট পাওয়া যাবে। DSLR ক্যামেরার স্টাইলে উভয় ফোনের ক্যামেরায় Zeiss 2.35x টেলিকনভার্টার লেন্স লাগানো যাবে। ফলে দূরের বস্তুকে আরও কাছ থেকে ক্যামেরাবন্দি করা যাবে। এতে ছবি ঝাপসা হবে না ও গুণগত মান ঠিক থাকবে। এটি আলাদা অ্যাক্সেসরি হিসেবে বিক্রি হবে।
Vivo X300 ও Vivo X300 Pro যথাক্রমে V2514 এবং V2515 মডেল নম্বর সহ ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস (BIS) ওয়েবসাইটে হাজির হয়েছে। ফলে অনুমান করা যায় যে ফোন দু'টি শীঘ্রই ভারতে আসতে চলেছে।
Vivo X300 Pro মডেলটির ব্যাক প্যানেলে অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন (OIS) সহ 50 মেগাপিক্সেল Sony LYT-828 প্রাইমারি ক্যামেরা, 50 মেগাপিক্সেল Samsung JN1 আলট্রাওয়াইড লেন্স, ও একটি 200 মেগাপিক্সেল পেরিস্কোপ টেলিফটো ক্যামেরা আছে। এতে 90W ওয়্যার্ড এবং 40W ওয়্যারলেস চার্জিং সহ 6,510mAh ব্যাটারি রয়েছে।
Vivo X300 সিরিজ প্রথম স্মার্টফোন হবে যা ডুয়াল চ্যানেল UFS 4.1 ফোর-লেন স্টোরেজ অফার করবে। ভিভো দাবি করেছে, এটি রিডিং ও রাইটিং স্পিড 70 শতাংশেরও বেশি বাড়িয়ে দেবে। Vivo X300 ও Vivo X300 Pro উভয়ই 200 মেগাপিক্সেল প্রাইমারি ক্যামেরা ও Zeiss-এর 50 মেগাপিক্সেল আল্ট্রা-ক্লিয়ার ফ্রন্ট ক্যামেরা সহ আসবে।
Vivo X300 ও X300 Pro উভয় 200 মেগাপিক্সেল ক্যামেরা সহ চতুর্থ প্রজন্মের Zeiss ইমেজিং সেটআপ পাবে। স্ট্যান্ডার্ড মডেলে 23 মিমি Zeiss 200 মেগাপিক্সেল মেইন সেন্সর থাকতে পারে। Pro ভেরিয়েন্টে 200 মেগাপিক্সেলের 85 মিমি Zeiss APO টেলিফটো লেন্স থাকার কথা বলা হয়েছে।
Vivo X300 Pro বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোন, যেখানে একটি কমিউনিকেশন বুস্টার চিপ ঐ চারটি ওয়াই-ফাই বুস্টারের সমন্বয়ে সিগন্যাল চিপ আছে। ফোনটিতে ডুয়াল-চ্যানেল UFS 4.1 ফোর-লেন স্টোরেজও থাকবে, যা সর্বোচ্চ 8.6 জিবিপিএস রাইটিং এবং রিডিং স্পিডে পৌঁছাবে বলে দাবি করা হচ্ছে।
Vivo X300 ফোনটির একটি স্পেশাল ভেরিয়েন্ট বাজারে আসতে পারে যা স্যাটেলাইট মেসেজিং পরিষেবা সমর্থন করবে। এর অর্থ হল, নেটওয়ার্ক না থাকলেও সরাসরি উপগ্রহের মাধ্যমে বার্তা পাঠানোর সুবিধা মিলবে।